যৌন নির্যাতন-শ্বাসরোধ নয়, অসুস্থতাতেই মৃত্যু, নিউ আলিপুর দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে ফের চাঞ্চল্যকর মোড়

0
88

শুভম বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতাঃ

নিউ আলিপুর নাবালিকা মৃত্যু রহস্যে চাঞ্চল্যকর মোড়! প্রথম ময়নাতদন্তের বয়ান সম্পূর্ণ পালটে গেল দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। নিউ আলিপুরের অভিজাত আবাসনে নাবালিকার মৃত্যু রহস্য আরও জটিল হল। এমনটাই মতামত এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত মামলার তদন্তকারীদের। প্রথম ময়নাতদন্তে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু এবং যৌন নির্যাতনের উল্লেখ থাকলেও দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে ফের অসুস্থতার কারণে মৃত্যুর তত্ত্বই প্রকাশ্যে চলে এল।

dead body | newsfront.co
ফাইল চিত্র

১০ জুলাই মৃত্যু হয় ওই নাবালিকার। প্রথম ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে আসে, যৌন নির্যাতন করে তারপর শ্বাসরোধ খুন করা হয়েছে ওই নাবালিকাকে। মেয়েটির যৌনাঙ্গে ক্ষতচিহ্নও রয়েছে, ওই শিশুটির গলায় আঙুলের ছাপ রয়েছে। কিন্তু কিছু বিষয়ে প্রশ্ন থাকার কারণে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ বিদ্যুৎবিল নিয়ে সিইএসসি পিছু হটতেই ‘কলকাতার জয়’ বলে ট্যুইট অভিষেকের

সেই আবেদন মঞ্জুরের পর রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস ভট্টাচার্যের নির্দেশে এসএসকেএম হাসপাতালের ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান বিশ্বনাথ কাহালি ফের ময়নাতদন্ত করেন ওই নাবালিকার মৃতদেহে। সোমবার বিকেলে সেই রিপোর্ট কলকাতা পুলিশের কাছে এসে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, বিভিন্ন ধরনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে নিউ আলিপুরের ওই নাবালিকার মৃত্যু হয়েছে বলে দ্বিতীয় ময়না তদন্তে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ করোনা আতঙ্ক! সকাল থেকে বেহালার রাস্তায় মুখ গুঁজে পড়ে রইলেন বৃদ্ধ, উদ্ধার পুলিশের

মেয়েটির যৌনাঙ্গে আঘাতের কথা দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। রিপোর্টে তার কারণ বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে যৌনাঙ্গে আঘাতের যে চিহ্ন থাকে, তার সঙ্গে ওই আঘাত মিলছে না বলে দাবি চিকিৎসকের। এর ফলে নিউ আলিপুরের ঘটনায় যে খুনের তত্ত্ব উঠে আসছিল এবং সন্দেহের তালিকায় নাবালিকার মা ও তার এক প্রেমিককে রেখে পুলিশ জেরা চালাচ্ছিল, সেই তত্ত্বও খারিজ হয়ে যেতে পারে বলে মত তদন্তকারীদের।

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91-9593666485