সুদীপ পাল,বর্ধমানঃ

বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিরাপত্তায় নজরদারিতে জেলা প্রশাসন এবার এগিয়ে এল।অতীতে বহুবার এবং দিন কয়েক আগেও হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। দালাল চক্রের সক্রিয়তা থেকে শুরু করে হাসপাতালে রোগিকে নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া সবই চলে এখানে। শুধু তাই নয় রাতের বেলায় ধর্ষণের মতো অভিযোগও উঠেছে। রোগীর আত্মীয়দের কাছ থেকে টাকা চুরি যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বারবার।এবার তাই ঠিক হয়েছে অতিরিক্ত জেলা শাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হবে।যেখানে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্তা, জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে পুলিশ কর্তারা থাকবেন। হাসপাতাল চত্বরে ২৪ ঘন্টা পুলিশি টহল দেবে পুলিশের একটি মোবাইল ভ্যান। তা ছাড়া প্রতি মাসে একটি করে বৈঠক হবে, যেখানে হাসপাতালে নিরাপত্তা-ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হবে।হাসপাতালের ডেপুটি সুপার অমিতাভ সাহা বলেন,নিরাপত্তা নিয়ে অনেক ফাঁক-ফোকর উঠে এসেছে।

রাতে রোগীর আত্মীয়রা শুয়ে আছে বর্ধমান হাসপাতালে। নিজস্ব চিত্র

তা ছাড়া বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষী দিয়ে হাসপাতালকে পুরোপুরি সুরক্ষিত রাখা আর সম্ভব নয়।তাই হাসপাতালের ভিতরে পুলিশের ক্যাম্পটি কে আরো মজবুত করা ব্যবস্থা করা হচ্ছে।জানা যায়,শুধুমাত্র রোগীর আত্মীয়রা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন তা নয়।হাসপাতাল থেকে কলেজ বা হোস্টেলে যাওয়ার সময় স্থানীয় যুবকদের হাতে হেনস্তা হতে হচ্ছে চিকিৎসকদের এবং হাসপাতালের কর্মীদের।জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব নিরাপত্তার বিষয়টি আরো ভালোভাবে দেখার জন্য নজরদারি করা হবে বলে জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here