বীরভূমের রৌনক হতে চায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার

0
312

পিয়ালী দাস,বীরভূমঃ

মা-বাবার মত শিক্ষক নয়। বড় হয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে এগোতে চায় রৌনক। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে ৬৮৪ নম্বর পেয়ে ষষ্ঠ স্থান পেয়েছে রৌনক সাহা। ছোট থেকেই পড়াশোনায় একান্ত নিমগ্ন সে। রুটিন মেনে পড়াশোনা সাফল্য এনে দিয়েছে শান্তিনিকেতনের পশ্চিমপল্লীর রৌনক কে – বলেই জানাছেন তার অভিভাবকেরা। শিক্ষিকাদের। রৌনকের বাবা পল্লব সাহা অবিনাশপুর হাইস্কুলের রসায়নের শিক্ষক আর মা রাখী দেবী ময়ূরেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের অর্থনীতির শিক্ষিকা। ছোট থেকেই নব নালন্দা শান্তিনিকেতনের ছাত্র রৌনক। ছোট থেকেই মেধাবী আর শান্ত ছাত্র বলেই তার ভালো ফলের উপর আশা ছিল স্কুলের শিক্ষক “ছোট থেকে ওর পড়াশোনার রুটিন আমি করে দিতাম। ওর স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা যে ভাবে ওকে সাহায্য করেছে সেটা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। তা ছাড়া আমার বেশ কিছু সহকর্মী ওকে প্রচুর সাহায্য করেছে,” বলে জানালেন রাখী দেবী। তিনজন প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়া ছাড়াও প্রতিদিন চার থেকে ছর ঘন্টা পড়াশোনা করেছে রৌনক। তবে শুধু পড়াশোনা নয়। ক্রিকেট খেলা আর দেখতে ভালোবাসে বিরাট কোহিলির এই ভক্ত। গোগ্রাসে পড়তে ভালোবাসে ফেলুদা। টিভিতে ভালো হিন্দি বা বাংলা সিনেমা দেখালে – মা-বাবার সাথে সেটাও দেখেছে রৌনক। “তবে এত সব করে পড়াশোনাতে ফাঁকি দেয় নি কোনদিন। ওকে আসলে পড়াশোনা পাগল বা বই পাগল বলা যাবে না। ও প্রকৃতই মেধাবী।

নিজস্ব চিত্র

শান্তভাব আর মেধা ওর সাফল্যের চাবি কাঠি,” বলে জানালেন নব নালন্দা স্কুলের এক শিক্ষক। “আমার সাফল্যের জন্য আমি আমার মা-বাবার কাছে যতটা উৎসাহ আর গাইডেন্স পেয়েছি – ততটাই পেয়েছি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের কাছ থেকে – আমি এদের সকলের কাছে খুবই কৃতজ্ঞ। আমার মা বা শিক্ষক বলে আমিও শিক্ষক হতে চাই, এমন নয় কিন্তু। প্রত্যেকের নিজস্ব ইচ্ছা থাকে। আমি বড় হয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে এগোতে চাই,” বললেন রৌনক।

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91-9593666485