নিজস্ব প্রতিবেদন, নিউজ ফ্রন্টঃ
ডা. কাফিল খানের বিরুদ্ধে যোগী সরকারের দ্বিতীয় সাসপেনশন অর্ডারে স্থগিতাদেশ দিলো এলাহাবাদ হাইকোর্ট। ২০১৭ সালে গোরক্ষপুরের বিআরডি মেডিক্যাল কলেজে অক্সিজেনের অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উত্তরপ্রদেশ সরকার সাসপেন্ড করে শিশু চিকিৎসক ডা. কাফিল খান-কে। এরপরে বাহরাইচ জেলা হাসপাতালে এক রোগীর চিকিৎসার সময় হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে অভব্য আচরণের অভিযোগে ২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার কাফিল খানকে দ্বিতীয়বার সাসপেন্ড করে যোগী সরকার।

দ্বিতীয় সাসপেনশন নিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করেছিলেন কাফিল খান। এই পিটিশনে তিনি জানান, সাসপেনশন আদেশনামা দেওয়ার পর কেটে গিয়েছে দুবছরেরও বেশি তাও তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত এখনো শুরুই হয়নি। এদিনের শুনানিতে বিচারপতি সরল শ্রীবাস্তব উত্তরপ্রদেশ সরকারকে ২০১৯ সালের সাসপেনশন সংক্রান্ত তদন্ত আগামী এক মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর-এর এই নির্দেশে আদালত জানিয়েছে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে ডা. কাফিল খান-কেও অন্যথায় শৃঙ্খলা রক্ষা কর্তৃপক্ষ ‘এক্স পার্টি’ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
আরও পড়ুনঃ দেশের মধ্যে সবথেকে নিরাপদ শহর কলকাতা, প্রকাশিত এনসিআরবি-র রিপোর্টে
কাফিল খানের আইনজীবী আদালতে জানতে চান যে কোন আইনবলে, ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড থাকা এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্বিতীয়বার সাসপেনশনের আদেশ জারি করতে পারে রাজ্য সরকার। সরকারের পক্ষের হয়ে অ্যাডিশনাল চিফ স্ট্যান্ডিং কাউন্সিল এ কে গোয়েল আদালতে জানান, ইতিমধ্যেই এই বছর ২৭ অগাস্ট কাফিল খানের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে এবং এর একদিন পর রিপোর্টের একটি কপি ডা. কাফিল খান-কে পাঠানোও হয়।
আরও পড়ুনঃ সাংবাদিক অজিত ভারতীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলার পক্ষে সম্মতি অ্যাটর্নি জেনারেলের
তিনি আরো বলেন, কোন ব্যক্তি সাসপেন্ড থাকাকালীন দ্বিতীয় সাসপেনশন জারি করার ক্ষমতা রয়েছে শৃঙ্খলা রক্ষা কর্তৃপক্ষের। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী ১১ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি ধার্য হয়েছে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584