নিজস্ব সংবাদদাতা, ওয়েব ডেস্কঃ
খড়গপুর সদর কেন্দ্রের ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ভোটারদের বিজেপিতেই ভোট দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই ঘটনাস্থলে যান ও বাধার মুখে পড়েন খড়গপুর সদরের তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকার। এরপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় রাজ্যের মোট ৩০ টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসছে। এই পরিস্থিতিতে খড়গপুরের সিস্টেম টেকনিক্যাল স্কুলে ভোটের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তৃণমূল প্রার্থী।
আরও পড়ুনঃ ৮০ শতাংশ ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ নন্দীগ্রামের বয়ালে
প্রদীপ সরকারের দাবি, সকাল থেকেই সাধারণ ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন জওয়ানরা। বিজেপিতে ভোট দিতে বলা হচ্ছে প্রত্যককে। এই বিষয়টি জানতে পেরেই ওই স্কুলে পৌঁছন প্রদীপবাবু। তিনি জানিয়েছেন, সমস্ত বৈধ কাগজ দেখানোর পরও বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি তাঁকে। রীতিমতো তাঁকে হেনস্তা করা হল বলেও অভিযোগ। এই ঘটনা প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই বুথ।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই বুথের বাইরে জমায়েত করেন বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীরা। সেখানেই বচসায় জড়িয়ে পড়ে দুই শিবিরের সদস্যরা। হাতাহাতিও হয় দু পক্ষের। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে অশান্তিতে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা।
আরও পড়ুনঃ বিজেপি বিরোধী ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে সব বিরোধী দলের নেতৃত্বকে চিঠি মমতার
ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, এদিন খড়গপুরের রেলকর্মীর পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় খড়গপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। রাজ্যপুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল প্রার্থী।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584