শরীয়তুল্লাহ সোহন, ওয়েব ডেস্কঃ
রাজ্যের বিভিন্ন দিকে হচ্ছে পুরভোট। এই পুরভোটে যাবতীয় কোভিড বিধি পালনে যথেষ্ট কড়া হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। পুরভোটের ব্যাপারে প্রথম দফায় যে গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখানে লোক জমায়েতের ক্ষেত্রে খোলা মাঠে ৫০০ জন এবং অডিটোরিয়ামে ২০০ অংশগ্রহণের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু ৫০০ জন জমায়েতের ব্যাপারটি নিয়ে স্বাস্থ্য বিধি প্রসঙ্গে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। পাশাপাশি অডিটোরিয়ামে একসাথে ২০০ জন জমায়েত হলে সেক্ষেত্রে কিভাবে স্বাস্থ্যবিধি মান্য হবে, এই নিয়ে নানা গুঞ্জন উঠেছিল।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, পুরভোটে ১৭ জনের একটি পর্যবেক্ষক প্যানেল তৈরি করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫ জন কোভিড আক্রান্ত। ফলে রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে নির্বাচনী জনসভায় ৫০০ জন খোলা মাঠে এবং ২০০ জন অডিটোরিয়ামে উপস্থিতিতে রাশ টানছে নির্বাচন কমিশন। গত বুধবার এক নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন, সেখানে জমায়েতের ব্যাপারে বলা হয়েছে, “খোলা মাঠে ৫০০ জনের পরিবর্তে ২০০ জন এবং অডিটোরিয়ামে ২০০ জনের পরিবর্তে ৫০ জন উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে।”
চলতি মাসের ২২ তারিখ শিলিগুড়ি, আসানসোল, চন্দননগর, বিধাননগর চার পুরসভার ভোট। এই ভোট নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছিল বিমল ভট্টাচার্য নামে এক সমাজকর্মী। সেখানে তিনি ২২ ই জানুয়ারি ভোট বন্ধের ব্যাপারে জোরালো সওয়াল তুলেছেন।
জমায়েতের প্রসঙ্গ ছাড়া আরোও বিভিন্ন বিষয়ে পুরভোটে গাইডলাইন প্রকাশ করেছেন নির্বাচন কমিশন:
- কোন রোড শো কিংবা পদযাত্রা নয়। গত পুরসভায় ৪টে পর্যন্ত রোড শো ছিল। এবার গাড়ি, বাইক র্যালি সব বাদ। এক্ষেত্রে আগে অনুমতি নেওয়া থাকলেও রোড শো বাতিল করতে হবে।
- প্রতি পুরসভায় নোডাল হেলথ অফিসার নিয়োগ করা হবে।
- প্রার্থী, কাউন্টিং এজেন্ট, পোলিং অফিসার- সকলেরই ডবল বা সিঙ্গল ভ্যাকসিন নেওয়া থাকতে হবে।
- বাড়িতে প্রচারে প্রার্থী-সহ পাঁচের বেশি অনুমতি নেই।
- প্রচারের সময় কমানো হয়েছে। সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রচার।
- সাইলেন্স জোন বাড়িয়ে হচ্ছে ৭২ ঘণ্টা।
আরও পড়ুনঃ বিক্ষোভের জেরে আটকে গেল কনভয়, “বেঁচে ফিরতে পেরেছি এই অনেক”, প্রতিক্রিয়া মোদীর
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584