নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতাঃ
করোনা অতিমারীর কারণে দীর্ঘদিন যাবৎ বন্ধ সমস্ত স্কুল। এতদিনে করোনার প্রকোপ কিছুটা কমেছে এবং তার সাথে সাথেই নির্দিষ্ট ডিউটি তালিকা তৈরি করে সেইমতো শিক্ষক শিক্ষিকাদের স্কুলে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ জারি করছেন জেলা স্কুল পরিদর্শকরা।

স্কুলের বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজকর্মে সুবিধার কারণে জেলা স্কুল পরিদর্শকের এই নির্দেশকে স্বাগত জানালেও শিক্ষক শিক্ষিকাদের একটা বড় অংশ চাইছেন এ বিষয়ে নির্দেশ জারি করুক স্কুল শিক্ষা দপ্তর। অন্যথায় স্কুলে হাজিরা সম্পর্কে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হবে। তাই শিক্ষা দফতর থেকেও এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বন্ধের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি
করোনা অতিমারীজনিত বিধিনিষেধের কারণে স্কুলে পঠন পাঠন বন্ধ কিন্তু মিড ডে মিলের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, কন্যাশ্রী- ঐক্যশ্রী ইত্যাদি সরকারি প্রকল্পের কাজ, একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ভর্তি প্রক্রিয়া, দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের ট্যাব বিতরণের জন্য নাম নথিভুক্তিকরণ ইত্যাদি বিভিন্ন কাজে প্রায় রোজই স্কুলে যেতে হচ্ছে প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকাদের। কিন্তু পর্যাপ্ত সংখ্যায় অন্য শিক্ষকরা না আসায় কার্যত একাই এই সমস্ত দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে তাঁদের। ফলে সময় লাগছে বেশি। যে কারণেই জেলা স্কুল পরিদর্শকরা নির্দেশ জারি করছেন রোস্টার তৈরি করে সেই অনুযায়ী যাতে শিক্ষক শিক্ষিকারা স্কুলে উপস্থিত থাকেন এবং তা করোনা বিধি মেনে।
আরও পড়ুনঃ কর্মীদের ‘আচমকা’ বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠাতে হবে, জালিয়াতি রুখতে নির্দেশ RBI-এর
এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষক সমিতি দাবি জানিয়েছেন, গ্রীষ্মের ছুটি যে শেষ হয়েছে তা সরকারি ভাবে জানাক শিক্ষা দপ্তর এবং শিক্ষক শিক্ষিকাদের উপস্থিত থাকার নির্দেশও জানাক দপ্তর। এছাড়াও গণ পরিবহনের অপ্রতুলতা তাঁদের স্কুলে ঠিকমতো উপস্থিত হওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা, এছাড়া স্কুলে উপস্থিত থেকে প্রশাসনিক কাজকর্ম এগিয়ে নিয়ে যেতে কোনরকম আপত্তি নেই তাঁদেরও।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584