নিউজফ্রন্ট,ওয়েবডেস্কঃ

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরে মতানৈক্যের বিরোধের কারণে নির্বাচন কমিশন থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ালেন কমিশনার অশোক লাভাসা। আদর্শ নির্বাচনবিধি ভঙ্গের কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট তলব হয়। লাভাসার দাবি,সেই রিপোর্ট অনুযায়ী মোদি ও অমিত শাহের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার যথেষ্ট কারণ ও যুক্তি ছিল।কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিয়ে শুধুমাত্র ক্লিনচিট দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।যে তিনজন বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশনে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় তারমধ্যে মোদী ও অমিত শাহের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন একমাত্র লাভাসা।বাকি দুইজনের মধ্যে ছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা ও সুশীল চন্দ যারা লাভাসার এই মতের বিরোধী ছিলেন।

অশোক লভাসার অভিযোগ, গত ৫ মে নির্বাচন কমিশনের শেষ বৈঠকে সংখ্যালঘু মত হিসেবে তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়নি।
শনিবার এক বিবৃতিতে সুনীল অরোরা জানিয়েছেন,”নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্য একে অন্যের টেমপ্লেট বা ক্লোন হবেন,এমনটা আশা করা যায় না।এর আগেও বহুবার দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপক ফারাক দেখা গেছে,যেমনটা হতেই পারে এবং হওয়া উচিতও।”

“কিন্তু সেরকম ঘটনা নির্বাচন কমিশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, যদি না কমিশনের সদস্য বা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পরে সে নিয়ে কোনও বই লেখেন।আমি ব্যক্তিগতভাবে কখনওই গণবিতর্ক থেকে নিজেকে আড়াল করিনি,কিন্তু সবকিছুরই সময় আছে।”
তিনি আরও জানান,”এমন ঘটনা আগেও হয়েছে। কমিশনের মধ্যে মতবিরোধের ঘটনা এই প্রথম না।”
আরও পড়ুনঃ ইসলামপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী
তবে বিরোধীরা বারবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাত দুষ্ট মনোভাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে।অশোক লাভাসার স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার এই ঘটনা বিরোধীদের হাত আরো শক্ত করল বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584