নিউজ ডেস্কঃ
ভারতের নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্ঘন্ট অনুযায়ী সপ্তদশ সাধারণ নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গের দুটি লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার।এই দুই লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে কোচবিহারের প্রতি নজর সব মহলের।প্রধানমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী জনসভার স্থান বিতর্ক থেকে ভোটের মাত্র দুই দিন পূর্বে জেলা পুলিশ সুপার বদল।সব মিলিয়ে নজরকাড়া লোকসভা কেন্দ্র কোচবিহার।মোট সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্র।
কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত বিধানসভাগুলি হলঃ
(১)কোচবিহার উত্তর (২)কোচবিহার দক্ষিণ (৩) মাথাভাঙা (৪)দিনহাটা (৫)সিতাই (৬) শীতলকুচি (৭) নাটাবাড়ি।
মোট ভোটার সংখ্যাঃ১৮ লক্ষ ১০ হাজার ৬৬০ জন।
পুরুষ ভোটার সংখ্যাঃ ৯ লক্ষ ৪১ হাজার ৪৭৯ জন।
মহিলা ভোটার সংখ্যাঃ ৮ লক্ষ ৪১ হাজার ১৭৫ জন।
তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যাঃ ৬ জন।
বুথঃ ২০১০
ভোটগ্রহণ কেন্দ্রঃ ১৪৮৭
প্রার্থীঃ ১১ জন
নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে ৪৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সশস্ত্র রাজ্য পুলিশ।
১১ জন প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চারজন।
তৃণমূল মনোনীতঃ পরেশচন্দ্র অধিকারী
বিজেপি মনোনীতঃ নিশীথ প্রামাণিক
বামফ্রন্ট মনোনীতঃ গোবিন্দ রায়
জাতীয় কংগ্রেস মনোনীতঃ পিয়া রায়চৌধুরী
বিগত ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে নির্বাচত সাংসদ হয়েছিলেন তৃণমূল মনোনীত রেনুকা সিনহা,তাঁর অকাল প্রায়নের পর ২০১৬ তে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে সাংসদ হন পার্থপ্রতিম রায়।
আরও পড়ুনঃ সপ্তদশ সাধারণ নির্বাচনের সূচনা,প্রথম দফায় ৯১ আসনে ১২৭৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
আজকের নির্বাচনে মূল চারজন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে তৃণমূল মনোনীত পরেশচন্দ্র অধিকারী যিনি সদ্য ফরোয়ার্ড ব্লক ত্যাগ করে তৃণমূলে যোগ দিয়ে মনোনীত হন,অপরদিকে বিজেপির প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক থেকে বহিস্কৃত হয়ে গেরুয়া শিবিরে আশ্রয় নিয়েই লোকসভার টিকিট পান।তাঁকে টিকিট দেওয়াতে জেলা ও স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়।বিক্ষোভ প্রতিবাদও সংঘটিত করে।এই লোকসভা কেন্দ্রের পরস্পর বিরোধী দুই প্রার্থীই দল বদল প্রার্থী।এখন অপেক্ষা মানুষের রায়ে নির্বাচিত হয়ে সংসদ হয় কে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584