নিজস্ব সংবাদদাতা, মুর্শিদাবাদঃ
বীরভূম থেকে মুর্শিদাবাদে পরকীয়া করতে এসে বাড়ির লোকজন এবং গ্রামবাসীদের হাতে ধরা পড়ে প্রহৃত হল বীরভূমের এক যুবক। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ এসে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে এবং মারধর করার ঘটনায় আটক করে থানায় নিয়ে যায় দুজন গ্রামবাসীকে। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা থানার ফতেপুর মাঝিপাড়া এলাকায়।

রবিবার রাত থেকেই গ্রামজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায় এই এলাকায়। জানা গেছে, ওই যুবকের বীরভূমের মল্লারপুর থানা এলাকার সৌচ গ্রামের আদিবাসী পাড়ায়। যুবকের নাম প্রসেনজিৎ হাঁসদা। তিনি জানিয়েছেন, আমার সাথে ফতেপুর গ্রামের বধুর বহুদিনের সম্পর্ক। রবিবার আমাকে ফোন করে ডাকে সেই মত আমি এসেছিলাম। আমি বিয়েও করতে চাই। এদিকে দুই সন্তানের জননী ফতেপুর মাঝিপাড়া এলাকার বাসিন্দা জবা মাঝি জানিয়েছেন, প্রসেনজিৎ হাঁসদার কোন দোষ নেই। আমি ফোন করে ডেকেছিলাম রবিবার রাতে। আমিও ওকে ভালোবাসি।
পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার সকালে আমরা খবর পেয়ে ফতেপুর গ্রামের মাঝিপাড়া এলাকায় বীরভূমের মল্লারপুর থানা এলাকার এক যুবককে বেঁধে রাখা হয়েছে। সাথে ওই গ্রামের এক বধূ কেউ বেঁধে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে ওদের বাঁধন মুক্ত করা হয় এবং ওদের দুজনের মুচলেখা নিয়ে সমস্যার সমাধানও করা হয়। দুজনেই একে অপরকে বিয়ে করতে চায় আর যেহেতু দুজনেই সাবালক তাই ওদের মতামতই যথেষ্ট। এছাড়া ওই যুবককে মারধর করার ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ মুর্শিদাবাদে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে উত্তেজনা! পঞ্চায়েত কর্মীকে চড় বিডিওর
জানা গেছে, বিবাহিত জবা মাঝি বর্তমানে দুই ছেলে নিয়ে বাবা মায়ের কাছে থাকেন। জবার পিতা মানগার হেমরম জানিয়েছেন, এর আগে চারবার দিয়ে গিয়েছিলাম। বর্তমানে মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকে না আমার কাছেই থাকে। রবিবার রাতে হঠাৎ করে বৃষ্টির মধ্যেই দেখি এক যুবক মেয়ের ঘরে ঢুকেছে। আমরা সকলে মিলে ওই যুবককে রাতের মতো ঘরে তালা বন্ধ করে রাখি। সকালে প্রতিবেশীদের খবর দেওয়া হয়। পুলিশ আসলে তারপর মীমাংসা হয়। মেয়ে অন্যায় কাজ করেছে ওই যুবককে ডেকে যুবকের সাথে থেকে তার সমাধান করা হোক।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584