শুভম বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতাঃ

জলকামানে রং ব্যবহারকে ছাপিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে আরও চড়া হয়ে উঠেছে বিজেপির নবান্ন অভিযানে বলবিন্দর সিংয়ের পাগড়ি খুলে নেওয়া বিতর্ক।ক্রিকেটার হরভজন সিং থেকে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর পর্যন্ত এই ঘটনার প্রতিবাদ করে বলেন, ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলন চলতেই পারে, কিন্তু একজন শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে এরকম ব্যবহার করা উচিত নয়। এটা তার ধর্মের প্রতি অপমান। এবার সরাসরি মুখ্যসচিবকে বলবিন্দরের পাগড়ি খোলা নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন।
আরও পড়ুনঃ দার্জিলিং বাংলার মুকুট ছিল এবং থাকবেঃ লকেট চ্যাটার্জি

প্রসঙ্গত, রবিবারই রবিবারই দিল্লির শিখ গুরুদুয়ারা ম্যানেজমেন্ট কমিটির প্রেসিডেন্ট এমসিরসা মণিদার সিং সিরসার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল এই বিষয়ে সক্রিয় হয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে শিখ ধর্মাবলম্বীদের দস্তরকে অসম্মান করার একটি প্রতিবাদপত্র জমা দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের কাছে।
আরও পড়ুনঃ খেজুরীতে গণ ডেপুটেশন বিজেপির
তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনা পুরো শিখ সম্প্রদায়ের জন্য গুরুতর অবমাননাকর। একই সঙ্গে বলবিন্দর সিংয়ের জন্য সুবিচার দাবি করেছেন তিনি। যদিও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বলবিন্দরকে সিংকে পুলিশি হেফাজতে রেখে মারধর করা হচ্ছে এবং আরও ৮ দিনের অতিরিক্ত পুলিশ হেফাজত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর আইনজীবীর।
শনিবার থেকেই বলবিন্দর সিং নামে এক শিখ বিজেপি কর্মীর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনার পর তার পাগড়ি খুলে নেওয়ার ঘটনা রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনীতির ময়দানে নেমে পড়তে দেরি করেনি বঙ্গ বিজেপি। যদিও সামান্য এক বিষয়কে সাম্প্রদায়িক রং লাগিয়ে ধর্মীয় মেরুকরণ করার চেষ্টা হচ্ছে বলে দাবি করেছিল রাজ্য প্রশাসন। এবার জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনের চিঠি আরও চাপে ফেলল রাজ্য প্রশাসনকে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584