পণের দাবিতে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা গৃহবধূর

0
119

অতনু ঘোষ, পূর্ব বর্ধমানঃ

আর পাঁচটা মেয়ের মতোই স্বামী সংসার নিয়ে সুখে ঘর করার ইচ্ছা ছিল মেয়েটার। কিন্তু মাত্র বছর একুশেই ঝরে গেল একটি ফুটফুটে জীবন।কালনার নন্দগ্রাম এলাকার মেয়ে বছর একুশের মাম্পি হালদারের বছর দেড়েক আগে বিয়ে হয় কৃষ্ণদেবপুর রাজবংশী পাড়ার নবদ্দীপ হালদারের সাথে।

dead body | newsfront.co
গৃহবধূর মৃতদেহ। নিজস্ব চিত্র

বিয়ের ছমাস যেতে না যেতেই মাম্পির জীবনে নেমে আসে কালো অন্ধকার। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা পণের জন্য চাপ দিতে থাকে তাকে।প্রথমদিকে শ্বশুরবাড়ির দাবি মতো জিনিসপত্র দিলেও, ক্রমশ তাদের চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে। কিন্তু শেষের দিকে চাহিদার মাত্রা এতই বেড়ে যায় যে, তা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছিল না মাম্পির পরিবারের। ফলে মাম্পির উপর নেমে আসে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার। এরপর মাম্পিকে বাধ্য হয়ে চলে আসতে হয় বাপের বাড়ি। শ্বশুরবাড়ির যৌতুকের চাপ সহ্য করতে না পেরে শেষমেষ গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বছর একুশের মাম্পি।

আরও পড়ুনঃ তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

এমনটাই দাবি করেছেন তার পরিবার। তবে মৃত্যুর আগে মাম্পি তার শেষ কথা লিখে রেখে গিয়েছে এক টুকরো কাগজে।খবর পেয়ে কালনা থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং সুইসাইড নোটের সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করেছে।শ্বশুরবাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে মৃতার বাবা।তবে এই ঘটনার পর থেকে মাম্পির শ্বশুরবাড়ির লোকেরা গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছে এলাকাবাসীরা।

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here