পিয়ালী দাস, বীরভূমঃ

প্রায় ২৪ ঘন্টা পর ঘেরাও মুক্ত হলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য সহ অধ্যক্ষ,আধিকারিকেরা। ভর্তির ক্ষেত্রে ১০০০ টাকা কমানোর শর্তে আন্দোলন প্রত্যাহার করেন পড়ুয়ারা।

সার্ক অন্তর্ভুক্ত ও বিদেশি পড়ুয়াদের ভর্তির ফি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হবে বলেও আশ্বাস দেন কর্তৃপক্ষ। তবে কর্তৃপক্ষ তাদের দাবি না মানলে ফের বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেয় পড়ুয়ারা।

বিশ্বভারতীতে ভর্তির ক্ষেত্রে এ বছর থেকে সাধারণ পড়ুয়াদের ফি দ্বিগুণ,সার্ক অন্তর্ভুক্ত দেশের পড়ুয়াদের ফি পাঁচগুণ ও বিদেশি পড়ুয়াদের ফি দশগুণ বৃদ্ধি করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

এরপরেই বর্ধিত ফি কমানোর দাবিতে আন্দোলনে নামে পড়ুয়ারা।বেশ কয়েক দিন আন্দোলনের পর এদিন বিশ্বভারতীর লিপিকা প্রেক্ষাগৃহে আলোচনায় বসেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সহ বিভিন্ন বিভাগের অধ্যক্ষরা। বিকেল ৩ টে এই আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু, দুপক্ষই সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় লিপিকা প্রেক্ষাগৃহ গেট বন্ধ করে চলছিল আন্দোলন।
পড়ুয়াদের দাবি,যতক্ষণ না কর্তৃপক্ষ বর্ধিত ফি কমাবে ততক্ষণ এই আন্দোলন চলবে।এমনকি, সিদ্ধান্ত না হওয়ায় পর্যন্ত উপাচার্য সহ আধিকারিকদের আটকে রাখা হবে বলেও জানান পড়ুয়ারা।প্রায় ২৪ ঘন্টা পর ঘেরাও মুক্ত হলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সহ বিভিন্ন বিভাগের অধ্যক্ষ,আধিকারিকেরা।
কর্তৃপক্ষের তরফে পড়ুয়াদের আশ্বাস দেওয়া হয়,ভর্তির ক্ষেত্রে ১০০০ টাকা পর্যন্ত পড়ুয়াদের ছাড় দেওয়া হবে। এছাড়া, সার্ক ভুক্ত দেশ গুলি ও বিদেশি পড়ুয়াদের ভর্তির বর্ধিত ফি প্রসঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পড়ুয়ারা জানায়,আমাদের আন্দোলন আংশিক সাফল্য হয়েছে।আমাদের দাবি না মানলে ফের বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাব।
আরও পড়ুনঃ পাঁচশো ফি বেড়ে পাঁচ হাজার,রাতভর উপাচার্যকে ঘেরাও
উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বলেন, “ছাত্রছাত্রীরা আমাদের সন্তানের মত।তাদের দাবি মত আমরা বিবেচনা করেছি।”
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584