নিজস্ব সংবাদদাতা পশ্চিম মেদিনীপুরঃ
করোনা আবহে খোলা বাজারে যথেচ্ছ ভাবে বিক্রি হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। বিভিন্ন কোম্পানির স্যানিটাইজারের পসরা সাজিয়ে মেদিনীপুর শহরের আনাচে কানাচে বসে পড়েছে বিক্রেতারা। কেনাবেচাও চলছে দেদার। কিন্তু নন ব্র্যান্ডিং, লেবেল বিহীন স্যানিটাইজার ব্যবহারের ক্ষেত্রে মানুষ কতটা সুরক্ষিত, তা নিয়ে অন্ধকারে খোদ ব্যবহারকারীরা।

বিক্রেতারা এবিষয়ে মুখ না খুললেও ক্রেতারা যে সুরক্ষার বিষয়ে অবগত না হয়েই এক প্রকার বাধ্য হয়ে স্যানিটাইজার ব্যবহার করছে, তা কার্যতই স্বীকার করলেন কয়েকজন ব্যবহারকারী। তাদের বক্তব্য, স্যানিটাইজারের ব্যবহার এখন অত্যাবশ্যকীয় ৷ চাহিদার তুলনায় ব্র্যান্ডেড স্যানিটাইজারের যোগান কম, যার ফলে সুরক্ষার মাপকাঠি না জেনে বুঝেই ব্যবহার করতে হচ্ছে স্যানিটাইজার।

ব্যবহারকারীরা জানান, করোনা আটকাতে স্যানিটাইজার ব্যবহার করার কথা বলছে সরকার, কিন্তু যে স্যানিটাইজারটা ব্যবহার করছি, সেটা কতটা সুরক্ষিত আদৌ সেটা করোনা আটকাবে কি না সেবিষয়ে আমরা সম্পূর্ণ অন্ধকারে। সরকারের উচিৎ করোনার মত মারণ ভাইরাস আটকাতে হলে স্যানিটাইজার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুরক্ষার বিষয়টাও নজর দেওয়া ।
আরও পড়ুনঃ অচল বালুরঘাট শহরের একমাত্র কিওস্ক, ভুগছে গ্রাহকেরা
অন্যদিকে এবিষয়ে মেদিনীপুর শহরের এক চিকিত্সক ডাঃ প্রতীপ তরফদার জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে সুরক্ষিত স্যানিটাইজারের মানদন্ড বিচার করার সময়, পরিকাঠামো বা লোকবল কোনটাই সরকারের এখন নেই। তাই আমরা যারা ব্যবহার করছি, আমাদের নিজেদেরই সুরক্ষার বিষয়টি দেখে নেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে।
আরও পড়ুনঃ বীরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অরণ্য সপ্তাহ উদযাপনের সূচনা
সাধারণত খোলা বাজার থেকে স্যানিটাইজার না কিনে ওষুধের দোকান থেকে কেনাই ভালো। তার থেকেও ভালো স্যানিটাইজারের পরিবর্তে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া। কারণ স্যানিটাইজার নকল হলেও, সাবান নকল হওয়া অসম্ভব, যেমনই সাবান হোক ফেনা হবেই। আর সাবানেই সব থেকে বেশি জীবাণু মরে। তাই সাবান দিয়ে হাত ধোয়া সব থেকে বেশি সুরক্ষিত বলে মনে করেন ডাঃ তরফদার।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584