শুভম বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতাঃ
রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলির কলকাতায় সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি। ফলে অন্যান্য জেলার তুলনায় কলকাতার হাসপাতালে করোনা সংক্রামিত রোগীদের সংখ্যাও বেশি। এই পরিস্থিতিতে উপসর্গহীন বা মৃদু উপসর্গ রয়েছে এমন রোগীদের সেফ হোমে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যে রাজ্যে ১০৬ টি সেফ হোম রয়েছে। এবার যাদবপুরের কিশোর বাহিনী ও কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে তৈরি হচ্ছে আরও দুটি সেফ হোম।

প্রসঙ্গত, কলকাতা পুলিশে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ইতিমধ্যেই ইডেন গার্ডেনের একটা অংশ পুলিশে আক্রান্তদের জন্য আলাদা রাখা হয়েছে। ২০০ জন আক্রান্ত পুলিশকর্মী সেখানে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে পারবেন। হাওড়া ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের একাংশও করোনা আক্রান্তদের জন্য আলাদা করে রাখা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ৬ জন চিকিৎসকের সংক্রমণ, করোনা পরীক্ষা বন্ধের নির্দেশ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে
পরবর্তী কালে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রেও সেফ হোম করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তার আগে এলাকাভিত্তিক যাদবপুর এবং কসবায় দুটি সেফ হোম করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। যাদবপুরের কিশোর বাহিনী স্টেডিয়ামের জন্য পূর্ত দফতরকে ও গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামের জন্য কেএমডিএ-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ নবান্নে বসে রাজ্যপালকে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
কলকাতায় এই মুহূর্তে আক্রান্তের সংখ্যা ১১৪৭১ জন। করোনা টেস্ট বাড়ার পাশাপাশি আক্রান্ত সংখ্যা আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই অবস্থায় মৃদু সংক্রমণের জেরে হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে মধ্যবর্তী ব্যবস্থা এই সেফ জোন। যাদের বাড়ি বা ফ্ল্যাটে আইসলেশন এর জন্য আলাদা ঘর নেই, তাদের জন্যই এই সেফ হোম। মৃদু সংক্রামিতদের সংখ্যা বাড়ার কারণে সেফ হোম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584