নিজস্ব সংবাদদাত,উত্তর দিনাজপুরঃ
ভাগার কাণ্ডের পর পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় সংক্রামক রোগের মত পচা মাংসের কারবার যেভাবে এখনো চলছে তা বর্তমানে আতঙ্কের কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে।কিন্তু উত্তরদিনাজপুর জেলার জেলা প্রশাসন ও জেলার চারটি পৌরসভা এ ব্যপারে জেনেও নির্বিকার।দেখেশুনে মনে হতেই পারে উত্তরদিনাজপুর জেলার মাংস ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে জেলা প্রশাসন অথবা জেলার চারটি পৌর সভার বদ্ধ ধারণা এই জেলায় পচা মাংসের ব্যবসায়ীরা পচা মাংসের কারবার আগেও চালায়নি এবং এখনো চালাচ্ছেনা আর ভবিষৎএও চালাবেনা।
এই ধারনাকে ধ্রুব সত্য মনে করে উত্তরদিনাজপুর জেলার জেলা প্রশাসন পচা মাংস কান্ডকে যে ভাবে গুরু্ত্ব দেওয়া উচিৎ সেভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেনা বলে জানা যায়। উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ির পর ইতিমধ্যেই মালদা জেলার বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও জাতীয় সড়কের ধারে গজিয়ে ওঠা ধাবা গুলিতে পুলিশপ্রশাসন নিয়মিত ধড়পাকড় শুরু করে দিয়েছে।অথচ উত্তরদিনাজপুর জেলায় তার নামগন্ধ নেই।জনসাধারণের বক্তব্য সঠিকভাবে যদি পুলিশ প্রশাসন দৃষ্টি দেয় তাহলে হয়তো পচা মাংসের সন্ধান মিললেও মিলতে পারে।
এই কান্ড ঘটে যাবার পর এখন বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁর মালিকদের কোনভাবেই সন্দেহের তালিকার বাইরে রাখা উচিৎ নয়।অনেককেই বলতে শোনা যাচ্ছে ‘চেষ্টা করলেই পাইলে পাইতে পারো অমূল্য রতন’।উত্তরদিনাজপুর জেলার কোনও রেস্তোরাঁয় আজ পর্যন্ত জেলার পুলিশ প্রশাসনকে খোঁজ খবর নিতে কেউ দেখেনি বলেই জানান রায়গঞ্জ ও কালিয়াগঞ্জের মানুষজন।তবে কি অন্যান্য জেলা প্রশাসন যেখানে সতর্কতা অবলম্বন করছে সেখানে উত্তর দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের এই ব্যাপারে কোন মাথা ব্যাথাই নেই।
যদিও জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয় এই সব নজরদারি করার ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসন যে ভাবে সতর্কতা নিয়ে কাজ করে সেই ভাবেই রুটিনমাফিক কাজ চলছে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584