উজ্জ্বল দত্ত, কলকাতাঃ
হাওড়ার শালিমারে শুটআউট। প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতাকে গুলি করল দুষ্কৃতীরা। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন নিহতের সঙ্গীও। এলাকায় ছড়িয়েছে তুমুল উত্তেজনা। জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে হাওড়া ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের যুব তৃণমূল সভাপতি ধর্মেন্দ্র সিং, নিজের এক সঙ্গীকে বাইকে বসিয়ে যাওয়ার সময়ে খুব কাছ থেকে চলন্ত বাইকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা।

আরও পড়ুনঃ পূর্বস্থলীতে জমি জটে অঙ্গনওয়াড়ি বিল্ডিং তৈরি না হওয়ায় সমস্যায় পড়ুয়ারা
দুজনের গুলি লাগে। ধর্মেন্দ্র সিংকে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যান তিনি। জখম গুলিবিদ্ধ সঙ্গী মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। তৃণমূলের হাওড়া(সদর)-র সভাপতি, মন্ত্রী অরূপ রায় বলেছেন, ‘ঘটনার সঙ্গে বিরোধীদের যোগ থাকলেও থাকতে পারে।’
মৃত ধর্মেন্দ্র সিং হাওড়া শহরের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে যুব তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি ছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলে শালিমার থেকে বাইক চালিয়ে ফিরছিলেন ধর্মেন্দ্র। বাইকের পিছনে বসেছিলেন আরও একজন। স্থানীয় সূত্রে খবর, বি গার্ডেন থানার অন্তর্গত শালিমার তিন নম্বর গেট এলাকায় বাইকে করে এসে ওই তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতীরা।
আরও পড়ুনঃ কুকুরকে ধর্ষণ! হরিদেবপুরে আটক যুবক
৬ রাউন্ড গুলি চলে। রক্তাক্ত অবস্থায় ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে যাওয়া হয় হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসকরা। হাতে ও বুকে গুলি লেগেছে নিহতের সঙ্গীরও। হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর।
এদিকে ধর্মেন্দ্র সিং-র মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতাল চত্বরে জড়ো হন তাঁর অনুগামীরা। তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশ। কিন্তু কারা গুলি চালাল? খবর পেয়ে হাসপাতালে যান তৃণমূলের হাওড়া(সদর)-র সভাপতি, মন্ত্রী অরূপ রায়।
সরাসরি বিরোধী বা বলা ভালো বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেননি তিনি। তবে জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিরোধীদের যোগ থাকলেও থাকতে পারে। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই ভরদুপুরে গুলি চলেছিল উত্তর ২৪ পরগণার নৈহাটিতেও। পরিচিতের ফোনে বাড়িতে থেকে বেরিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। তবে সে যাত্রায় প্রাণে বেঁচে যান তিনি।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584