নিউজফ্রন্ট, ওয়েবডেস্কঃ
টুইটার তার পরিষেবা থেকে সমস্ত রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করছে। টুইটার জানিয়েছে যে সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলি বিজ্ঞাপনদাতাদের কিছু বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে, যা বিভ্রান্তিমূলক বার্তা ছড়াচ্ছে জনগণের মধ্যে। দিনের পর দিন এর মাত্রা বেড়ে চলেছে।

এই প্রসঙ্গে টুইটার এর সিইও জ্যাক ডরসি বুধবার টুইট করেছেন, দেখা যাচ্ছে যে সোশাল মিডিয়ায় ব্যবহৃত বিজ্ঞাপনগুলি জনগণকে ভুল পথে চালিত করছে। অন্যান্য মিডিয়ামের ক্ষেত্রে অতটাও এরকম হচ্ছে না। যেখানে মার্কিন সরকার রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে অধিকাংশ ব্যয় টেলিভিশনেই করে থাকে।
মার্ক জুকারবার্গ ফেসবুকে রাজনীতিবিদদের ফ্রি-স্পীচের অধিকার দিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে ফেসবুক মুনিউনিটি জানিয়েছিল, ফেসবুক কোনও পলিটিকাল ক্যম্পেন এবং রাজনীতিবিদদের মতামতের সত্যাসত্য বিচার করবে না।
We’ve made the decision to stop all political advertising on Twitter globally. We believe political message reach should be earned, not bought. Why? A few reasons…🧵
— jack 🌍🌏🌎 (@jack) October 30, 2019
এর ফলে রাজনীতিবিদরা এই মাধ্যমটিকে কাজে লাগিয়ে তাঁদের পলিটিকাল প্রপাগ্যান্ডাকে আরও বেশি মজবুত করতে পারবেন বলে চাঞ্চল্য উঠছে নেটিজেনদের মধ্যে।
আরও পড়ুনঃ লেবাননের রাস্তায় জ্বলছে আগুন, মুখে রঙ মেখে পথে হাজার হাজার ‘জোকার
এই নিয়ে সেপ্টেম্বরে একটি বিতর্ক শুরু হয়েছিল, যখন ফেসবুক, টুইটার এবং গুগল একই সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্যাম্পেনের একটি মিসলিডিং ভিডিও বিজ্ঞাপনকে রিমুভ করতে অরাজি হয়েছিল। প্রাক্তন গণতান্ত্রিক প্রার্থী ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বিডেনকে উদ্দেশ্য করে ওই ভিডিও বিজ্ঞাপনটি বানানো হয়েছিল।
এর প্রত্যুত্তরে ডেমোক্রেটিক সেন- এলিজাবেথ ওয়ারেন মার্ক জুকারবার্গকে কটাক্ষ করে ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। সেই ভিডিওর বিষয়বস্তু কতকটা এরকম ছিল যে, মার্ক ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট পদে পুনর্নিবাচনের জন্য সমর্থন করছেন।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584