দুর্বল সেতুর উপর দিয়েই চলছে পারাপার, ক্ষোভ জটেশ্বরবাসীর

0
51

নিজস্ব সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ারঃ

বহু দিন আগেই সেতুটি দুর্বল বলে ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু ওই বিপদজনক সেতুর উপর দিয়ে ভারী গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়নি। আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত ও গুয়াবরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সংযোগকারী বীরকিটি ওই সেতুটি জেলা পরিষদের অধীনে।

damage bridge | newsfront.co
নিজস্ব চিত্র

ওই সেতুর উপর দিয়ে পাঁচ টনের বেশি মালবাহী গাড়ি চলাচলের নিষেধাজ্ঞা বোর্ডও লাগানো হয়েছে। কিন্তু বন্ধ হয়নি ভারী গাড়ি চলাচল। তেমনই শুরু হয়নি নতুন সেতু তৈরির কাজও। যার ফলে ওই সেতুটি আরও বিপদজনক হয়ে পরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

bridge | newsfront.co
নিজস্ব চিত্র

এদিন স্থানীয় বাসিন্দা দয়াল বর্মন জানান,”দুর্বল হয়ে পরা ওই সেতুর উপর দিয়ে যে কোনও যানবাহন চলাচল করলেই সেটি কাঁপতে থাকে।তিনি আরো জানান, প্রতিদিন বহু পণ্যবাহী গাড়ি, যাত্রীবাহী গাড়ি, পথচারী, কৃষক, গুয়াবর নগর, মালসাগাঁও সহ ধুপগুড়ি এলাকার একটি অংশের মানুষও এই সেতু পেরিয়ে জটেশ্বর বাজারে আসা-যাওয়া করেন। সেতুটি দুর্বল হওয়ায় ঝুঁকি নিয়েই পারাপার করতে হয়।”

demand of bridge repair | newsfront.co
নিষেধাজ্ঞা। নিজস্ব চিত্র

জানা গিয়েছে, ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এবং গুয়াবরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে যাতায়াতের মাধ্যম বীরকিটি নদীর সেতুটি দীর্ঘদিন আগে তৈরি হয়েছিল। জটেশ্বর বাজার ও তপসিতলার মধ্যে সংযোগ রক্ষা করার ক্ষেত্রে এই সেতু গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষাধিক মানুষ এই সেতুর উপর নির্ভরশীল।

আরও পড়ুনঃ তপনে রাজনৈতিক হিংসায় বিষ দিয়ে পুকুরে মাছ মারার অভিযোগ

এই পথে বহু যাত্রীবাহী, পণ্যবাহী গাড়ি ধূপগুড়ি, শালবাড়ি সহ বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বীরকিটি সেতুর মাঝের একটি স্তম্ভ বসে গিয়েছে সেতুর লোহার পাতগুলিও দুর্বল হয়ে গিয়েছে বহুদিন আগেই।

ফলে বেহাল সেতুতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে বলে তাঁরা জানিয়েছেন। এদিন পথচারী ক্ষীরধর রায় বলেন, “দুর্বল সেতুর ওপর দিয়ে প্রবল ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি সহ যাতায়াত করতে হয়। সেতুটি অল্পতেই দুলে ওঠে। প্রশাসন বিষয়টি দেখলে ভালো হয়।”

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here