সিমা পুরকাইত,দক্ষিন ২৪ পরগনাঃ
জলমগ্ন অবৈতনিক বিদ্যালয়।চলতি বছরে বর্ষার ভ্রুকুটির বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন স্কুল প্রাঙ্গন।ভিজে স্যাঁত স্যাঁতে শ্রেনী কক্ষ।পঠন পাঠন লাটে উঠেছে ক্ষুদে পড়ুয়াদের।জল নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় এমন পরিস্থিতি।কুল্পি ব্লকের রামকিশোরপুর গ্রামপঞ্চায়েত।

এই পঞ্চায়েতের ফকির পাড়া গ্রামে রয়েছে দেরিয়া ঝাঁপবেড়িয়া অবৈতনিক বিদ্যালয়।দারিদ্র সিমানার প্রতিটি পরিবারের খুদেরা পঠন পাঠনে এই বিদ্যালয়ের উপর নির্ভর ।
১২০ জন পড়ুয়ার পাশাপাশি ৪ জন শিক্ষক রয়েছে এই বিদ্যালয়ে।মিডডে মিল থেকে পঠন পাঠন ঠিক ঠাকই চললেও বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বৃষ্টির জমাজল।স্কুলের পরিকাঠামো উন্নত নয়।১০০ শতাংশ সংখ্যালঘু পড়াশুনা করে এই স্কুলে।

স্কুল অনুন্নয়নে জেরে ক্ষুব্দ এলাকাবাসি।টালির ছাউনি দেওয়া শ্রেনী কক্ষে কোনক্রমে চলছে পঠন পাঠন।ভয়ে ভিতিতে স্কুলে পাঠাচ্ছেন না অনেক পড়ুয়াদের তাদের অবিভাবকেরা।

শৌচাগারের জল থেকে জমাজল একত্রিত হয়ে পরেছে স্কুল প্রাঙ্গন।শিক্ষক থেকে অবিভাবকদের একাংশের অভিযোগ এলাকায় নির্দিষ্ট কোন নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় জমা জল জমে হয়রান হতে হয় পড়ুয়া থেকে শিক্ষকদের।
আরও পড়ুনঃ টানা বৃষ্টিতে বন্যার ভ্রূকূটি কোচবিহারে, জলমগ্ন এলাকা পরিদর্শনে পুলিশ আধিকারিক

মিডডে মিল রান্না ঘরের উনানে জল জমে খাওয়া দাওয়া বন্ধের মুখে অবৈতনিক বিদ্যালয়ের।যদিও স্কুল ম্যানেজিং কমিটি জেলায় স্কুল পরিকাঠামো নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন।
অভিযোগ জানিয়ে আজও জমা জলে ক্লাস করতে হচ্ছে পড়ুয়াদের ।আশ্বাস প্রত্যাশা প্রতিশ্রুতিতে আদৌও কি মিটবে সমস্যার সমাধান!প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584