মনিরুল হক, কোচবিহারঃ
পারিবারিক বিবাদের জেরে স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে চলে গেছে বাপের বাড়ি। প্রথমটা মানিয়ে নিলেও শেষটায় একাকীত্বে ভুগছেন স্বামী। তাঁর দিন কাটছে মনকষ্টে। তাই নিজের দুঃখ ঘোচাতে নিজের পরনের টিশার্টে স্ত্রী ও সন্তানের ছবি প্রিন্ট করে ফ্লিমি কায়দায় ওই গেঞ্জি পড়ে বুধবার শ্বশুর বাড়িতে রওনা দিচ্ছিলেন তিনি। স্ত্রী সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে। আর পথেই দেখা জামাই বাবাজির সাথে শ্বশুরের। হঠাৎ করে জামাই বাবাজির টিশার্টে নিজের মেয়ের ছবি দেখে বেজায় চটে যান শ্বশুর রমজান আলি।

এরপরই তাকে পথে আটকে জোর করে শ্বশুর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই শ্বশুর বাড়ির লোকজনেরা তাকে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর আহত হয় জামাই রুবেল রাজা। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে স্ত্রী সন্তানের প্রেমে আপ্লুত স্বামী বর্তমানে মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এই ঘটনায় রুবেলের পরিবারের পক্ষ থেকে মাথাভাঙ্গা থানায় শ্বশুর রমজান আলী, শাশুড়ি মর্জিনা বিবি এবং দুই শ্যালক মুর্শিদ আলম ও মাসুদ মিঞা বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়।
মাথাভাঙ্গা থানার আইসি প্রদীপ সরকার জানিয়েছেন, আমি অভিযোগটি পেয়েছি, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
দীর্ঘ প্রেমের পর প্রতিবেশী যুবতী সুলতানা পারভিনের সাথে দিনমজুর যুবক রুবেল রাজার বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের রুবি সুহিনা পারভিন নামে ৩ মাসের একটি শিশুসন্তানও রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ বিজেপির বুথ সভাপতিকে মারধোরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে
আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল সুলতানার পরিবার প্রথম থেকেই এই বিয়ে মেনে নিতে চাইনি। শ্বশুর বাড়িতে বিবাদের কারনে মেয়ে বাড়িতে আসায় তাকেও আর ফিরিয়ে দিতে রাজি নয় সুলতানার পরিবার।এই অবস্থায় ওই দুই পরিবারের মধ্যে অশান্তি এখন চরমে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584