পুরোনো কর্মীরা অপ্রয়োজনীয়- কোচবিহারে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৃণমূল কার্যকরী সভপতির

0
63

মনিরুল হক, কোচবিহারঃ

“জেলা সভাপতি কোনও কর্মসূচির খবর দেয় না, কোথায় মিটিং মিছিল হচ্ছে জানি না, তাই উপযাজক হয়ে যাওয়ার প্রশ্ন নেই। দল এখনও ছাড়িনি, দল করছি না। মনে হয় আমাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে।”

ajijul halk | newsfront.co
আজিজুল হক ৷ নিজস্ব চিত্র

একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্যতম বুনিয়াদ,কোচবিহার ১ নম্বর ব্লকের কার্যকরী সভাপতি আজিজুল হক রবিবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এমনই এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দলের বর্তমান সংগঠকদের বিরুদ্ধে। তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আরও একবার কোচবিহার জেলায় পুরোনো তৃণমূল কর্মীদের কোণঠাসা করে রাখার অভিযোগ প্রমাণিত হলো।

আরও পড়ুনঃ পাত্রসায়েরের জঙ্গলে অসুস্থ বুনো হাতি,চিকিৎসায় তৎপর বন দফতর

তিনি বলেন, “আমরা মানুষের জন্য কাজ করি, যেমন আছি ভালো আছি। জেলা নেতৃত্ব কেউ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে না। তাই বসে আছি।”কোচবিহার জেলা তৃণমূলের নতুন সভাপতি পার্থ প্রতিম রায় নির্বাচিত হওয়ার পর বারংবার এই অভিযোগ উঠেছে ৷ পুরোনো তৃণমূল কর্মীদের তিনি কোণঠাসা করছেন। তাদেরকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে সামনের সারিতে আনার যে লক্ষ্যমাত্রা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোচবিহার শহরে এসে দিয়ে গেছেন তা বিশবাঁও জলে।

পুরোনো কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকার কারণেই তারা দলের হয়ে সংগঠনের কাজ ঠিকমতো করছেন না। সরাসরি এই কথা জানান আজিজুল বাবু।তার কথায়, একসময় তাদের ঘাড়ে ভর দিয়েই তৃণমূল কংগ্রেস শাসন ক্ষমতায় এসেছিল। কিন্তু এখন যারা সংগঠনের সাথে যুক্ত তারা যেন তৃণমূল কংগ্রেসের সুদিনের সঙ্গী। তৃণমূল কংগ্রেসের লড়াই তারা চোখে দেখেননি। সে ক্ষেত্রে দলের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং নিষ্ঠা তাদের কতটা রয়েছে তা প্রশ্নচিহ্নের সামনে।

আরও পড়ুনঃ কাটোয়া মহকুমা জুড়ে বন্ধ এটিএম পরিষেবা, হয়রানির শিকার হচ্ছেন গ্রাহকরা

ইতিমধ্যেই কোণঠাসা করে রাখার অভিযোগে দল ছেড়ে চলে গেছেন কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। দলের ব্লক স্তরের নেতৃত্ব থেকে শুরু করে অন্যান্য বিধানসভার বিধায়করাও দলে গুরুত্ব পারছেন না বলে অভিযোগ তুলেছেন।

এই গ্যাপ মেকআপ করতেই কোচবিহারে দুদিনের সফরে এসেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেও একই অবস্থা। দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব ক্রমশ বেড়েই চলেছে। সুতরাং ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে এই অন্তর্দ্বন্দ্ব শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস কে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত করবে সেটাই এখন দেখার।

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here