পিয়ালী দাস, বীরভূমঃ
লকডাউনের সময় শুধু আইন শৃঙ্খলা দেখা বা রক্তদানে থেমে নেই বীরভূম পুলিশের ভূমিকা। তাঁরা আটকে নেই বয়স্ক মানুষ বা অসুস্থদের পরিষেবা দিতে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় লকডাউনের সময় বীরভূমের পুলিশের নিত্য নতুন সদর্থক ভূমিকা প্রতিদিন নজরে পড়তে বাধ্য।

বীরভূম পুলিশের উদ্যোগে মা ও শিশুদের জন্য বাংলা বছরের প্রথম দিন “মাতৃ স্নেহ” নামে একটি প্রকল্প শুরু করা হয়।
প্রাথমিকভাবে বীরভূম জেলার ছটি পুরসভা এলাকায় যুক্ত থানা যথা সিউড়ি, সাঁইথিয়া, দুবরাজপুর, বোলপুর রামপুরহাট এবং নলহাটিতে পরিষেবা চালু করা হয়েছিল। পরে তা আরো আঠারোটি থানায় শুরু করা হয়। সম্পূর্ণ মহিলা কর্মী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় এই “মাতৃ স্নেহ” প্রকল্পটি।

“মাতৃ স্নেহ” কন্ট্রোল নম্বরে (7602675311/ 7602675322) ফোন করলেই আবেদনকারীর বাড়িতে পৌঁছে যায় পুলিশ কর্মীরা এবং সাধ্য মতন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ইতিমধ্যে এই প্রকল্পটি জেলাজুড়ে সাড়া তুলেছে। এই লকডাউনে বিপদজনক অবস্থায় অনেক মা ও সদ্যজাত শিশুর প্রান বেঁচেছে এই “মাতৃ স্নেহ” প্রকল্পটির জন্য।

আরও পড়ুনঃ করোনা আবহে প্রানের ঝুঁকি নেওয়া সমাজকর্মীদের সামগ্রী বিতরণ গণজাগরন মঞ্চের
এবার মা ও শিশুর পরিচর্যার কথা ভেবে বীরভূম পুলিশ সিদ্ধান্ত নেন নিরাপত্তাজনিত বিধি-নিষেধ চলাকালীন আর্থিক ও বৈষয়িক সমস্যার সম্মুখীন পরিবারের সদ্যজাত শিশুদের মায়ের হাতে মাতৃস্নেহ টিমের কর্মীরা তুলে দেবে একটি জামা সহ শিশুর পরিচর্যা সামগ্রীর পুরো সেট।
যার মধ্যে থাকবে বেবি পাউডার, বেবি ওয়াইপস, বেবি কম্ব, ইত্যাদি। নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধের ফলে অধিকাংশ পরিবারই গৃহবন্দী এবং কিছু পরিবার অভাবে নিরুপায়। কিন্তু তাতে মায়ের মমতা তো আর আপোষ করতে দেওয়া যায়না, তাই শিশুদের সুস্থ-সবল ভবিষ্যৎ কামনা করে বীরভূম জেলা পুলিশের এই মানবিক ভূমিকা।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584