নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম মেদিনীপুরঃ
শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন এক নম্বর ব্লকের চক ইসমাইলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কুশমী গ্রামে গিয়ে প্রতিবাদ সভায় দাঁতন থানা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার কথা বলেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। শনিবার কুশমী গ্রামে দলীয় কর্মী পবন জানার মৃতদেহ নিয়ে দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে বিজেপি নেতারা হাজির হন।

ওই গ্রামে বিজেপির পক্ষ থেকে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। সেই প্রতিবাদ সভায় বিজেপির রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু প্রকাশ্যে দাঁতন থানা আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। তিনি বলেন “আপনারা ৬ মাস সময় দিন পুলিশকে আমরা বুঝিয়ে দেব। যদি আর কোন দলীয় নেতাকর্মী দাঁতনে আক্রান্ত হয় তাহলে দাঁতন থানা জ্বালিয়ে দেব” ।
আরও পড়ুনঃ বর্ধিত গ্রাহক সংখ্যা, রেশনে কেরোসিনের বরাদ্দ কমালো খাদ্য দফতর

তিনি বলেন কাউকে রেয়াত করা হবে না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ যদি সজাগ থাকতো তাহলে পবন জানার মত দলীয় কর্মীকে তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডা বাহিনীর হাতে খুন হতে হতনা। এখনও সময় আছে যদি পুলিশ কর্মী ও আধিকারিকরা শুধরে না নেন তাহলে তাদের কপালে অনেক বিপদ আছে। ২০২১ সালে বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসবে, তখন আমরা সুদে-আসলে হিসাব বুঝে নেব। দাঁতন থানা জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকির ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুনঃ ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকানে ৪ টাকায় মাস্ক বিক্রি করবে রাজ্য
সায়ন্তন বসুর ওই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল কংগ্রেসের দাঁতন এক নম্বর ব্লকের সহ-সভাপতি প্রতুল দাস বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস হিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না, তৃণমূল কংগ্রেস উন্নয়ন চায়, সেই শান্তি ও উন্নয়ন কে স্তব্দ করার চেষ্টা করছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও সায়ন্তন বসুর মত বিজেপি নেতারা। তারা গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষকে উস্কানি দিচ্ছে, যার ফলে এই ঘটনা ঘটছে।” তিনি বলেন দাঁতন থানা যারা জ্বালাতে আসবে মানুষ তাদের জ্বালিয়ে দেবে। কারণ আমরা হিংসায় বিশ্বাস করিনা, সন্ত্রাসে বিশ্বাস করিনা, আমরা চাই শান্তি ও উন্নয়ন। যারা এলাকায় সন্ত্রাস করছে তাদের মানুষ আগামী দিনে উপযুক্ত জবাব দেবে বলে তিনি জানান।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584