নিজস্ব প্রতিবেদন, নিউজ ফ্রন্টঃ
রামপুরহাট কান্ডে মঙ্গলবার রাতে সমাধিস্থ করা হয় বগটুই গ্রামের ৮ জনের পুড়ে যাওয়া মৃতদেহ। অভিযোগ কোন এক আলাউদ্দিন শেখ মৃতদের দূরবর্তী আত্মীয় হিসেবে নিজের পরিচয় দেন ও দেহগুলি শনাক্ত করেন। এরপরে জেলাশাসক ও এসপি-র উপস্থিতিতে কবর দেওয়া হয় দেহগুলি।

এদিনের ঘটনার পরেই নিজেদের বাড়ি অর্থাৎ বগটুই গ্রাম ছেড়ে সাঁইথিয়ার বাতাসপুরে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন ঐ পরিবারের বাকি সদস্যেরা। বিভিন্ন প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমের কাছে মৃতদের আত্মীয় বলে নিজেদের পরিচয় দিয়ে মিহিরুল শেখ ও বানিরুল শেখ অভিযোগ তুলেছেন যে এই আলাউদ্দিন শেখের সঙ্গে মৃতদের কোনরকম আত্মীয়তার সম্পর্কই নেই। একই সঙ্গে মিহিরুলের প্রশ্ন পুড়ে ঝামা হয়ে যাওয়া মৃতদেহ আলাউদ্দিন কিভাবে শনাক্ত করলেন আর তা কিভাবে যুক্তিগ্রাহ্য হল প্রশাসনের কাছে? রামপুরহাট কান্ডের পরতে পরতে দানা বাঁধছে রহস্য।
আরও পড়ুনঃ ডিজি বলছেন ব্যক্তিগত শত্রুতার জের, এসপি বলছেন দুর্ঘটনা, অনুব্রত উবাচ গ্যাস সিলিন্ডার বার্স্ট
মৃতদের আত্মীয় হিসাবে নিজেদের পরিচয় দেওয়া মিহিরুল, বানিরুলরা আরও ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান আনারুল শেখ ও পুলিশের বিরুদ্ধে। সংবাদ মাধ্যমকে তাঁরা বলেন, তাঁরা বহুবার আনারুল ও পুলিশের কাছে সাহায্য চান কিন্তু কেউই সাহায্য করেননি। পরিবর্তে অপরিচিত আলাউদ্দিন শেখের হাতে তুলে দেওয়া হয় দেহ। এইসব বিভিন্ন কারণে রাজ্য পুলিশের তদন্তে রাজ্য পুলিশের তদন্তে আস্থা রাখতে পারছেন না। সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছেন তাঁরা।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584