নবনীতা দত্তগুপ্ত, বিনোদন ডেস্কঃ
মুক্তি পেল অরিত্র মুখার্জি পরিচালিত উইন্ডোজ প্রযোজিত ছবি ‘ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মটি’। এক মহিলা পুরোহিত রয়েছে গল্পের কেন্দ্রে, ছবিটি কিছু স্টিরিয়োটাইপ ভাঙছে, সকলকে নিয়ে দেখার মতো ছবি, ঋতাভরী এখানে একেবারে অন্যরকম– এহেন সব খবরই জানা আছে সকলের।

অনেকে দেখেও নিয়েছেন ছবিটি। কিন্তু এই মুহূর্তে যেটা বিশেষ বিশেষ খবর সেটা হল, ঋতাভরী চক্রবর্তী তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে লিখেছেন এখন থেকে প্রত্যেকটি পাবলিক টয়লেটে মিলবে স্যানিটারি ন্যাপকিন।
তাঁর এই উদ্যোগে শামিল হয়েছেন কলকাতার প্যাডম্যান রাহুল দাশগুপ্ত এবং শোভন মুখার্জি। কলকাতার সব পাবলিক টয়লেটে তাঁরা বসাচ্ছেন ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন। জুন মাসের মধ্যে এই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশাবাদী ঋতাভরী।


প্রসঙ্গত, শোভন এর আগেই কলকাতার বেশ কয়েকটি জায়গায় এই মেশিন বসিয়েছিলেন। কিন্তু অশ্লীল উদ্যোগ বলে সেগুলিকে ভেঙে দেওয়া হয়।…
এই তো এগিয়েছে আমাদের সমাজ! মেয়েরা মাসের ওই কটা দিন ঠাকুরঘরে যেতে পারে না। কারণ তারা অশুদ্ধ, অশুচি, অসুস্থ।

আরও পড়ুনঃ আপন-পরের ১৩০০ পর্ব পার
অথচ, কোনও মাসে হঠাত পিরিয়ড মিস করলেই আঁতকে উঠি মেয়েরা। কখনও তা ভাল খবর বয়ে আনার লক্ষণ হয় ঠিকই, কিন্তু যদি সেই সম্ভাবনা নেই জানা থাকে তা হলে তো ঘোর বিপদ বলে ভয় পাই আমরা। ঋতুস্রাব মিস করা মানে শরীরে কিছু সমস্যা হাজির হয়েছে এই ব্যাপারে মেয়েরা নিশ্চিত হয়ে যায়।
আর তাই ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়। ফলে, ঋতুস্রাব না হওয়া মানেই অসুস্থতা, আর হওয়া মানেই সুস্থতা- এটা মাথায় রাখা প্রয়োজন।
তাই মাসিক হলে ওই সময় মেয়েদের ব্রাত্য করার যৌক্তিকতা নেই বলে মনে করেন এন্ডোলজিস্ট, প্রফেসর তথা মহিলা পুরোহিত নন্দিনী ভৌমিক। তাঁর মহিলা পুরোহিত হয়ে ওঠার জার্নিই উঠে এসেছে এই ছবিতে। দেখানো হয়েছে সমাজের আরও কিছু অহেতুক দিক, যেগুলোর কোনও মানেই নেই এই সমাজে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584