শুভম বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতাঃ
গত বছর রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছিল কলকাতা পুলিশের একটি করা মামলা। রেলওয়ে বোর্ডের স্থায়ী কমিটিতে সদস্য পদ পাইয়ে দেওয়া নিয়ে এক ব্যবসায়ীর করা মামলায় নাম জড়িয়েছিল অনেক বিজেপি নেতার। শুক্রবার দুপুরে আলিপুর আদালতে ৮ পাতার চার্জশিট পেশ করল পুলিশ।

তবে উল্লেখযোগ্য হল, চার্জশিটে নাম নেই মুকুল রায়ের। তবে নাম রয়েছে বাবান ঘোষ, রাহুল সাউ, সাদ্দাম হোসেন, কমল হোসেন আনসারি (পলাতক)-র নামে ৪ জনের।
তবে এর আগে মামলার তদন্তে একাধিক বার বিভিন্ন জায়গায় ডেকে মুকুলকে জেরা করেছেন পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা। জারি হয়েছিল গ্রেফতারি পরোয়ানাও।
আরও পড়ুনঃ বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি পদে মুকুল রায়, সম্পাদক অনুপম
সম্প্রতি সদ্য কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মুকুল রায়। চার্জশিটে পুলিশ জানিয়েছে, কমলের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েছিল। ৪ টি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত হয়েছে, সেখানে বেশ কিছু ভয়েস রেকর্ডিংও রয়েছে।
সেই রেকর্ডিংগুলো টেস্টের জন্য চন্ডিগড়ে ফরেন্সিক ল্যাবে পাঠানো হবে। তবে তার মধ্যে মুকুল রায়ের আওয়াজ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে।
আরও পড়ুনঃ বিতর্কিত মন্তব্যের পরপরই করোনা আক্রান্ত অনুপম!
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে বড়বাজারে রেলের এক আধিকারিকের কাছ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়। সাক্ষী হিসেবে ডেকে পাঠানো হয় মুকুল রায়কে। তবে তিনি দিল্লির বাসিন্দা হওয়ার কারণ দেখিয়ে আসতে চাননি মুকুল। তারপর তাকে বেশ কয়েকবার নোটিশ পাঠানো হয়।
২০১৯ ফ্রেব্রুয়ারি ব্যাঙ্কশাল আদালত তাঁর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে। তাকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন মুকুল। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই তার বয়স ৬৫ হয়ে গিয়েছে। তাই যেখানে তিনি ইচ্ছুক সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।
সেই মামলায় তাঁকে ১০ দিনের রক্ষাকবচ দেয় আদালত।সেইসঙ্গে কলকাতায় মামলা করার অনুমতি দেওয়া হয়। হাইকোর্টে মামলা করেন মুকুল রায়। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ গ্রেফতারি পরোয়ানা খারিজ করে দেয়।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584