ওয়েব ডেস্ক, নিউজ ফ্রন্ট:

‘পেইড কোয়ারেন্টাইন’ অর্থাৎ নিজের খরচায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকতে হবে-এমন সিদ্ধান্ত ঘিরেই বেঁধে উঠেছে ক্ষোভ। কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা, গুজরাট, গোয়া সহ বেশকিছু রাজ্য এইরকম পরিকল্পনা করেছে যাতে করে পরিযায়ী শ্রমিকদের আগমন আটকানো যায়। কারণ আশঙ্কা করা হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকরা দলে দলে ফিরলে করোনা পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর রূপ নেবে। তাই ধরি মাছ না ছুঁই পানি কৌশলে চলতে চাইছে বেশ কিছু রাজ্য।
কিন্তু এই কৌশল আদৌ কোন কাজে দেবে কিনা এই নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ কর্মহীন হয়ে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকরা দীর্ঘদিন লকডাউনে কর্মস্থলে আটকে থাকার ফলে নিঃস্ব হয়ে বাড়ি ফিরতে মরিয়া। হাতে যেটুকু টাকা কড়ি আছে সেই দিয়েই তারা নিজ বাসস্থানে ফেরার চেষ্টা করছে।প্রতিদিনই দুর্ঘটনায় কিছু না কিছু পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবুও তারা এমনই মরিয়া হয়ে উঠেছে যে হেঁটে হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিতেও পিছপা হচ্ছে না। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ঘরমুখী হচ্ছে তারা। আবার ঘরে ফেরার চেষ্টা করলেও এই ‘পেইড কোয়ারেন্টাইন’এর সামর্থ্য তাদের নেই বললেই চলে। তাই এ সিদ্ধান্ত ঘিরে জমে উঠছে ক্ষোভ।
আরও পড়ুন:ঘরোয়া উৎপাদনের ৫ শতাংশ ঋণে ছাড় রাজ্যগুলিকে
কর্ণাটক সরকার যেমন মনে করছে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকার খরচ টানতে সামর্থ্য তাদের রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকরা। তবে যারা নিতান্তই পারবে না তাদের কথা আলাদা ভাবে ভাবা হবে। অন্যদিকে গোয়া সরকার বিদেশ ফেরতদের ‘পেইড কোয়ারেন্টাইনে’ থাকতে বাধ্য করছে। সেক্ষেত্রে মাথাপিছু দৈনন্দিন খরচ ১ থেকে ৩ হাজার টাকা। শ্রমিকদের ক্ষেত্রে পুরোপুরি ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের খবর।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584