নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর দিনাজপুরঃ
আইনশৃঙ্খলা অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় চোপড়ায় মৃত ছাত্রীর গ্রামে বিজেপির নেতা- সাংসদকে ঢুকতে বাধা দিল পুলিশ৷
সোমবার বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা অবনতির অজুহাত দেখিয়ে পুলিশ আমাদের মৃতার বাড়ি যেতে বাধা দিয়েছে। আমরা কোনও ঝামেলা চাই না। তাই পুলিশের কথা মেনে নিয়েছি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও নেতা মন্ত্রী গ্রামে ঢুকলে আমরা কোনও বাধা মানবো না।’

রবিবারের সংঘর্ষের পর সোমবার সকালে ব্যাপক পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে চোপড়ায়। কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় ইসলামপুর হাসপাতাল থেকে চোপড়ায় মৃতার দেহ নিয়ে আসা হয়েছে। দেহ নিয়েই গ্রামে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বিজেপি নেতৃত্বের।
বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক, বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ী সহ অন্যান্য নেতা উপস্থিত হন চোপড়ায়।
আরও পড়ুনঃ চোপড়ায় রাজবংশীদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে পথে মানুষ
তখনই পুলিশ বিজেপি নেতাদের আটকে দেয়৷ গ্রামে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বিজেপি নেতৃত্বকে। বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পুলিশ আমাদের কাছে সাতদিন সময় চেয়েছে দোষীদের গ্রেফতারের জন্য।
সাতদিনের মধ্যে মূল অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে সারা উত্তরবঙ্গ জুড়ে আন্দোলনে নামবে বিজেপি।’ তিনি জানান, ‘বিজেপি নেতা ও সাংসদকে কিশোরীর গ্রামে যেতে আটকে দিল পুলিশ। কিন্তু যদি কোনও তৃণমূল কংগ্রেস নেতা বা মন্ত্রী ওই গ্রামে যান তাহলে বিজেপিও সদলবলে ওই গ্রামে যাবে।’
আরও পড়ুনঃ বহরমপুরে ডিওয়াইএফআই-র বিক্ষোভ কর্মসূচি
অন্যদিকে, ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে সোমবার সকালে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম ফিরোজ আলি। এই ছাত্রী হত্যার মামলায় ফিরোজের দিকে অভিযোগের আঙুল উঠেছিল। আজ তাঁর দেহ উদ্ধারের পরে নতুন করে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584