থমকে নদী ভাঙন রোধের কাজ, উদ্বেগে স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা

0
43

নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহঃ

নদীর ভাঙন রোধের কাজে নির্ধারিত মজুরি থেকে কম মজুরি পাওয়ায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন স্থানীয় যুবকরা। ফলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সেচ দফতরের আধিকারিকরা। ফলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরির আগে নদী বাঁধের কাজ শেষ হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয়ে আধিকারিকরা।

river | newsfront.co
নিজস্ব চিত্র

ভাঙ্গন রোধে বরাত পাওয়া মূল ঠিকাদারের অধীনে কাজ করছেন স্থানীয় চারজন, যাঁরা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত বলে খবর। কিন্তু সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট মজুরির থেকে কম মজুরি দেওয়ায় তাঁরা মাঝেমধ্যে কাজ বন্ধ করে দিচ্ছেন।

নদীর ভাঙন রোধে কাজ করতে গিয়ে এধরনের নানা সমস্যার সামনে পড়তে হচ্ছে সেচ দফতরের কর্তাদের। ফলে ভাঙ্গন রোধের কাজ বন্যা আসার আগে শেষ হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের ভালুকা বাজার এলাকায়।

আরও পড়ুনঃ অভিনব পন্থায় পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ তৃণমূলের

স্থানীয়দের পাশাপাশি উদ্বেগে রয়েছেন সেচ দফতরের কর্তারাও। ভালুকায় কান্ট্রিসাইডে প্রায় ৬০০ মিটার এলাকা জুড়ে। নদীতে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার পর বাঁধের উপরে বসবাস করছেন বেশ কিছু বাসিন্দা। তাঁদের পুনর্বাসনের বন্দোবস্ত হয়নি।

এক দশক আগে ভাঙন রোধের কাজের জন্য জমি অধিগ্রহণ করেছিল সেচ দফতর। সেচদফতর জমি অধিগ্রহণ করলেও জমি মালিকরা কোনও টাকা না পাওয়ায় কাজে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। এমনই ত্রিফলায় বিদ্ধ হয়ে ফুলাহারের ভাঙন রোধের কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here