সিমা পুরকাইত,দক্ষিন ২৪ পরগনাঃ



ভাইপোর বাড়িতে ডাকাতি।গন পিটুনিতে মৃত্যু ডাকাত কাকার।টাকা দিতে রাজি না হওয়াই ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ ভাইপোকে।সকালে জানাজানি হতেই গ্রামবাসিরা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে মারে।আহত ভাইপো আবেদালি কয়াল।মৃত কাকা জাকির কয়াল। ঘটনাটি ঘটে মথুরাপুর থানার দাদপুর এলাকার গুঞ্জুরপুর গ্রামে। অভিযোগ আহত বাড়ির মালিক আবেদ আলি কয়াল জানান, বিকালে স্ত্রীকে বোনের বাড়িতে পাঠিয়ে রাতে খাওয়া দাওয়া সেরে একা ঘরের মধ্যে ঘুমিয়ে ছিল গভীর রাতে দুজন ঘরের দরজা ভেঙে ঢোকে।একজন এসে গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে তখন তাদের চিনতে পারি একজন জাকির কয়াল অন্য জন আতি।আমার আলমারিতে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার টাকা ছিল।সেই আলমারি ভেঙে টাকা নেয় এমনকি মোবাইলটিও ছিনিয়ে নেয়।শেষে দুজনকেই চিনতে পারায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমাকে কোপ মারতে থাকে, এমনকি মেরে ফেলার চেষ্টা করে।কোনক্রমে ঘরের মধ্যে থেকে বের হয়ে কিছু দূরে বাবা ও অন্য ভাইরা থাকে তাদের কাছে পালিয়ে আসি।তারা নিয়ে প্রথমে মথুরাপুর হাসপাতালে নিয়ে আসে সেখান থেকে ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে।ঘটনায় মথুরাপুর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে।পেশায় মাংস বিক্রেতা আবেদালি,মথুরাপুরেয় মাংস বিক্রি করে।পূর্বে জাকিরের অত্যাচারে মন্দিরবাজার থানার দাদপুর ছাড়ে।আশ্রয় নেই মথুরাপুর থানার গুঞ্জিরপুর গ্রামে।গাঁজার ব্যবসা করতো জাকির।দুষ্কৃতিদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাচ্ছিলো দাদপুরে। ফলে স্থানীয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হন অনেক বাসিন্দা।মহিলাদের কটুক্তি থেকে এলাকায় দুষ্কৃতি তান্ডব সবেতেই জাকির ছিল নেতা।মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনার পর বুধবার সকালে আহতের কাছে জানতে পারায় দুই গ্রামের ক্ষিপ্ত হয়ে মানুষ গন পিটুনি দেয় তাতেই মৃত্যু হয় জাকিরের। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।মন্দিরবাজার দাদপুরের বাড়ি থেকে জাকিরকে ডেকে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।ভাঙচুর করা হয় তার ঘরবাড়ি।এমনভাবে আইন হাতে তুলে নেওয়াতে কোন অন্যায় দেখছেন না এলাকাবাসী।প্রশ্ন উঠছে আইন শৃঙ্খলার অবনতি নিয়েও।


আরও পড়ুন: প্রতিটি পঞ্চায়েতে বন সৃজন,খেলার মাঠে তৈরির উদ্যোগ ‘একশো দিনের কাজ’ প্রকল্পে
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584