মনিরুল হক, কোচবিহারঃ
রাজনৈতিক হিংসায় ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে মাথাভাঙ্গা মহকুমার শিতলখুচি। গত কয়েকদিন থেকে শিতলখুচি মহকুমার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত গোলমাল শুরু হয়েছে।

বিজেপির অভিযোগ পুলিশের মদতে এই সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করছে তৃনমূল। বৃহস্পতিবার বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলাকালীন পুলিশ তাদের উপর আক্রমণ করে বলে অভিযোগ।

এরপরই রাতে বড়োমরিচা এলাকায় কিছু তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের। এদিকে শুক্রবারেরও সেই পরিস্থিতি অব্যাহত আছে।
অভিযোগ, এদিন ভরদুপুরে শীতলখুচি ব্লকের আক্রারহাট বাজারে হামলা চালায় কিছু দুষ্কৃতী। এই অভিযোগের তীর তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

ওই ঘটনায় স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবী, সকালে মুখে কালো কাপড় বেঁধে তৃণমূলের গুন্ডারা এসে হামলা চালিয়েছে বোমা পিস্তল নিয়ে।
আরও পড়ুনঃ জমি বিবাদে তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষে আহত ১
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, অতর্কিতে জনা ১০-১৫ জন দুষ্কৃতী এই সশস্ত্রভাবে হামলা চালায় ও লুটও করে বলে এমনকি দোকানদারদের উপর আক্রমণ করা হয় বলে অভিযোগ।

এ প্রসঙ্গে কোচবিহার জেলার বিজেপি নেতা হেমচন্দ্র বর্মণ বলেন, তৃনমূল অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে গোটা শীতলখুচি এলাকায়। পুলিশের মদতে তৃনমূলী দুষ্কৃতিরা শীতলখুচির সহ গোটা কোচবিহার জুড়ে সন্ত্রাসের পরিবেশ কায়েম করেছে। দ্রুত এই অবস্থার থেকে বাংলার মানুষ মুক্তি পেতে চায়। যদি এই অবস্থা প্রশাসন বন্ধ না করতে পারে তবে এই অরাজগতার বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে বিজেপি, প্রয়োজনে প্রতিরোধও গড়ে তোলা হবে। যদিও ওই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃনমূল নেতৃত্বরা।
এ বিষয়ে স্থানীয় তৃনমূল বিধায়ক হিতেন বর্মণ বলেন,“লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির পক্ষ থেকে তৃনমূলের দলীয় কার্যালয় দখল করা হয়। সেগুলি পুনরুদ্ধার করেছে আমাদের কর্মীরা। সেই পার্টি অফিস গুলিতে কর্মী সমর্থকরা যাতায়েত শুরু করেন। এই কারনে বিজেপি কর্মীরা আমক্রমনের চেষ্টা করে। তখন এলাকার লোকজন মধ্যে জনরোষ তৈরি হয়। সেখানে কিছু গোলমাল হলে ওই ঘটনার সাথে তৃনমূলের কোন সংযোগ নেই বলে জানান তিনি।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584