সিমা পুরকাইত, দক্ষিণ ২৪ পরগনাঃ
কথায় আছে সব তীর্থ বারবার গঙ্গাসাগর একবার। তবে এখন গঙ্গাসাগরে যোগাযোগের ব্যবস্থা উন্নতি হয়েছে। প্রতিদিন সাগরে আসা যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। অন্যান্য বছর সাগরে ভির প্রচুর থাকলেও এবারে তা সংখ্যায় কম। করোনা আবহে সমস্যায় তীর্থ যাত্রী থেকে ব্যবসায়ী, সাধু সন্ত থেকে এলাকার মানুষজন।


ভারতবর্ষের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেলা গঙ্গাসাগর মকর সংক্রান্তির স্নান মেলা। এই মেলাকে কেন্দ্র করে সেজে উঠেছে পুরো গঙ্গাসাগর। করোনার কথা মাথায় রেখে এবছর মেলার শুরু হওয়া আগেই সুন্দরবন পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে গঙ্গাসাগরের কচুবেড়িয়া ভেসেল ঘাটে প্রচার শুরু করেছে। তীর্থযাত্রীদের মাস্ক বিলি ও স্যানিটাইজার করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। বসানো হয়েছে একাধিক স্যানিটাইজার টানেল।


জিবিডিএ -এর পক্ষ থেকে একটি অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেটি হল প্লাস্টিক বর্জন। জিবিডিএ এর ছেলে মেয়েরা গঙ্গাসাগরের তীর্থ করতে আসা পুণ্যার্থীদের হাত থেকে প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ নিয়ে ওই সমস্ত পুণ্যার্থীদের হাতে বায়োপ্লাস্টিক ও কাগজের ব্যাগ তুলে দিচ্ছে। যাতে করে গঙ্গাসাগর মেলা প্লাস্টিক মুক্ত মেলায় পরিণত হয়।



এছাড়াও প্রশাসনিকভাবে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। গঙ্গাসাগরের মেলা প্রাঙ্গণ এবং বাড়তি নজরদারীর জন্য পুরো মেলা প্রাঙ্গণে একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তের পুণ্যার্থী মানুষেরা পুণ্য লাভের জন্য এই গঙ্গাসাগরে আসে।

প্রত্যেক বছর যে ভাবে গঙ্গাসাগর মেলা সাজিয়ে তোলা হয় এবছরও সেরকম ভাবে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে গঙ্গাসাগর মেলা। এবছর গঙ্গাসাগর মেলার আগে প্রচুর পুণ্যার্থী গঙ্গাসাগরের স্নান করার জন্য ভিড় জমাচ্ছে।
পাশাপাশি সাগর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বাপি রায়ের নেতৃত্বে সাগর থানার পক্ষ থেকে এই করোনার জন্য সকল পুণ্যার্থীদের সচেতন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে ফের শুনানি আগামীকাল
যে সমস্ত পুণ্যার্থী গঙ্গাসাগরের স্নানের জন্য লট নং-৮ থেকে ভেসেলে করে কচুবেড়িয়া ভেসেল ঘাটে আসছে তাদের মধ্যে যারা মাস্ক পরেনি তাদেরকে সাগর থানার পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ করা হচ্ছে।যেন পুণ্যার্থীরা গঙ্গাসাগরে সুস্থভাবে স্নানসেরে বাড়ি ফিরতে পারে সেই জন্য গঙ্গাসাগর মেলার আগে পুরো তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছে সাগরের পুলিশ প্রশাসন।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584