নিজস্ব সংবাদদাতা, ওয়েব ডেস্কঃ
পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় নির্বাচনে স্থগিতাদেশ সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিলো শীর্ষ আদালত, একইসঙ্গে খারিজ হল রাজনৈতিক প্রচারে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারির আর্জিও।

পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় নির্বাচনে স্থগিতাদেশ চেয়ে যে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী মনোহর লাল শর্মা। এদিন তা খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে রাজনৈতিক প্রচারে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারির আর্জিও জানিয়েছিলেন ওই আইনজীবী, তাও খারিজ হয়ে গিয়েছে।
গত ১ মার্চ মনোহরলাল জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় ভোটগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। পিটিশনে বলা হয়েছিল, “পশ্চিমবঙ্গ যখন কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলার মুখে নেই বা বিতর্কিত যুদ্ধক্ষেত্রের আওতায় পড়ছে না, তখন আট দফায় ভোটগ্রহণ স্পষ্টতই ভারতীয় সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারার (সাম্যের অধিকার) লঙ্ঘনের বিষয়।”
আরও পড়ুনঃ ডিজিটাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের নামে স্বাধীনতা হরণ, অসন্তোষ প্রকাশ এডিটর্স গিল্ডের
এই মামলাটি মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ খারিজ করে দেয়। একই সঙ্গে বিজেপি নেতারা ‘জয় শ্রীরাম’-কে ‘ধর্মীয় স্লোগান’ হিসেবে ব্যবহার করায় পিটিশনে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা নিতে বলার আর্জি জানিয়েছিলেন।
আরও পড়ুনঃ সাংসদে ‘ডিজিটাল পক্ষপাতিত্বের’ অভিযোগ অধীরের
ওই আইনজীবী জানিয়েছিলেন যে ‘জয় শ্রীরাম’-এর মতো ধর্মীয় ধ্বনি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে কলুষিত করে। যাঁরা এই ধরনের ধ্বনি দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের আর্জি জানিয়েছিলেন। ধর্মীয় ভেদাভেদে প্ররোচনা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই) যাতে মামলা দায়ের করে, সেই আর্জি জানিয়েছিলেন মনোহরলাল।
প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, ধর্মের ভিত্তিতে বড়জোর নির্বাচনী পিটিশন হিসেবে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়া যায়। মনোহরলাল শর্মা নামে মামলাকারীকে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানানোর বিকল্প দেয় আদালত, ওই আইনজীবী তাতে ইচ্ছুক না হওয়ায় মামলা খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। ডিভিশন বেঞ্চের তরফে বলা হয়েছে, “আমরা আপনার পুরো পিটিশন পড়েছি। কিন্তু (বিষয়টিতে) হস্তক্ষেপ করার কোনও ভিত্তি পাইনি।”
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584












