সিএএ-র পিটিশনের দিনই এনপিআর-এর শুনানি, জানাল শীর্ষ আদালত

0
241

নিউজফ্রন্ট, ওয়েবডেস্কঃ

শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট এনপিআর-এর প্রস্তুতি বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়কে চ্যালেঞ্জ জানানো একটি আবেদনের ভিত্তিতে পিটিশন জারি করেছে। শীর্ষ আদালতের বিচারাধীন মুখ্য বেঞ্চ জানিয়েছে ২২ জানুয়ারি সিএএ বিরোধী পিটিশনের শুনানির সাথে এর ফয়সলা করা হবে।

জানা গিয়েছে, ২০০৩ সালে তৈরি নাগরিকত্ব আইনের তরফে এনপিআর(জাতীয় নাগরিক পঞ্জি) এর অধীনে যে কোনও সন্দেহভাজন নাগরিককে চিহ্নিত করার অধিকার নাগরিক আইনের রয়েছে। সেই হিসেবে এই আইনের আওতায় নাগরিকদের রেজিস্ট্রেশন এবং পরিচয়পত্র ইস্যু হওয়ার বিষয়টি নির্ভরশীল।

supreme court issues notice in npr on caa petition date | newsfront.co
চিত্র সৌজন্যঃ টাইমস অফ ইন্ডিয়া

জাতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বাংলার এক অরাজনৈতিক শিক্ষক সংগঠনের পক্ষে ইসরারুল হক মন্ডল, মুখলেসুর রহমান,আসিকুল আলম, কবিরুল ইসলাম, মোঃ কাইসার রশিদ, মোহাম্মদ ইসমাইল, মীর রবিউল ইসলাম, মোঃ আওলাদ হোসেন, মাসুদুর রহমান, মীর শামিম উদ্দিন, মোঃ নাজিবুর রহমান, নাসিমুদ্দিন মোল্লা, মোহাম্মদ জাবিউল্লাহ, নাজিবুর রহমান, ফিরোজ আলী, ঝর্ণা হক, মোঃ রুহুল আমিন, মোঃ শাহে আলাম কয়াল, মোঃ মেহেদি হাসান ও মাসুদ নাস্তুর সুপ্রিম কোর্টকে একটি পিটিশন জমা দিয়েছেন যেখানে লেখা রয়েছে, এনপিআর এর নিজস্ব কোনও ক্ষমতা নেই কোনও ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসাবে দাগিয়ে দেওয়ার। আর যদি সেটা করাও হয় তবে জানতে হবে কেন্দ্র থেকে এনপিআর-এ নিযুক্ত কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিচারে সন্দেহভাজন নাগরিকের আপেক্ষিক বিষয়টিকে মদত দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ পারমাণবিক অস্ত্র-ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি চুরিতে আটক পাঁচ পাকিস্তানি ব্যবসায়ী

বলা হয়েছে, ১৯৫৫-এর নাগরিকত্ব আইনের ৯ ও ১০ ধারায় কোনও নাগরিক সন্দেহভাজন নয় কি না, তা বিচারের দায়িত্ব কেন্দ্রের কোনও অফিসারের হাতে দেওয়া হলে সে তার ব্যক্তিগত বিচারবোধ থেকে একটি বিচার করবে, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একপেশে ও অর্বাচীন বলে মনে হতে পারে।

আলোচনা করা হচ্ছে, দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ই এই আইনের ফলে সর্বাপেক্ষা ভুক্তভোগী হবেন, কারণ তাদের মধ্যেই অর্থনীতিগত ও সামাজিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়ার মাত্রাটা বেশি। পিটিশনে বলা হয়েছে, রাজ্যজুড়ে সব মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের পর্যাপ্ত শিক্ষা এবং পরিযানের ব্যবস্থা এই আইন দিতে পারবেনা জন্যই কোনও নাগরিককেই আলটপকা বিচারে সন্দেহভাজন বলে গণ্য করা যাবে না।

ভারতের মতো দেশে ৩০ কোটি জনগণ জমিহারা এবং তাদের প্রামাণ্য কোনও নথি নেই যা তাদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে পারবে। এরকম অবস্থায় জাতীয় নাগরিক পঞ্জীর মতো কাজ কতটা দক্ষতার সাথে হবে, তা বলা মুশকিল।

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91-9593666485