সাধারণ শ্রেণীর দশ শতাংশ সংরক্ষণ মামলায় কেন্দ্রকে সুপ্রীম কোর্টের নোটিশ

0
96

ওয়েবডেস্কঃ

১০৩ তম সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সরকারি চাকরি ও উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া সাধারণ শ্রেণীর জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ নিয়ে কেন্দ্র সরকার শীতকালীন অধিবেশনেই লোকসভা ও রাজ্যসভায় বিল পাস করে। চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর এই বিল আইনে পরিণত হয়।

এরপরই সারাদেশ জুড়ে এই বিলকে কেন্দ্র করে একাধিক জটিলতা তৈরি হয়। প্রশ্ন ওঠে শুধুমাত্র আর্থিক অনগ্রসরতার বিচারেই এই ১০ শতাংশ সংরক্ষণ কি যুক্তি যোগ্য ? কংগ্রেস অবশ্য মন্তব্য করেছিল লোকসভা ভোটের আগে সাধারণ মানুষের মন জয় করতে এমন অনৈতিক সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের।

সূত্রের খবর , ঠিক এরই মাঝে কেন্দ্র সরকারের এই বিলকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইউথ ফর ইকুয়ালিটি নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ।তাদের দাবি এর আগে ১৯৯২ সালে কোটা সংক্রান্ত ইন্দিরা-সহানি মামলায় ৯ বিচারপতির বেঞ্চ রায় দিয়েছিল শুধুমাত্র আর্থিক অনগ্রসরতার বিচারে সংরক্ষণ করা যাবে না ।

প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এবং বিচারপতি সঞ্জীব গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে এ নিয়ে মামলা শুরু হয় । সেই মামলায় এবার কেন্দ্রকে চিঠি পাঠালো সুপ্রিম কোর্ট । তবে এখনই সংরক্ষণের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট । আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যুত্তর চেয়ে কেন্দ্রকে এই চিঠি পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত ।

ইয়ুথ ফর ইকোয়ালিটি নামক ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তাদের আবেদনে জানিয়েছিল শুধুমাত্র আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর শ্রেণির জন্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা করলে এসটি , এসসি ও ওবিসি রা আর্থিক সংরক্ষণের বাইরে চলে যাবে।
এরই পাশাপাশি তারা আরও দাবি তোলে সমস্ত সংরক্ষণ মিলিয়ে মোট ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ সংবিধান সঙ্গত । কিন্তু কেন্দ্র সরকার এই ১০ শতাংশ সংরক্ষণ যোগ করলে গাণিতিকভাবে তা আদোও প্রযোজ্য হবে কিনা তা নিয়েও ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রশ্ন তোলে ।

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here