‘১০ বছরে কোনও উন্নয়ন হয়নি, প্রাধান্য পেয়েছে ব্যক্তিস্বার্থ’, দল ছাড়ার সময় তৃণমূল কর্মীদের চিঠি শুভেন্দুর!

0
46

শুভম বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতাঃ

শুভেন্দু যে বিজেপিতে যোগ দেবেন তা নিশ্চিত ছিল। কিন্তু বেরিয়ে যাওয়ার আগেও দলের অনুগামী এবং তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিস্ফোরক ৬ পাতার চিঠি লিখলেন তিনি। যেখানে তৃণমূল নেতৃত্ব কে আক্রমণ করার পাশাপাশি দাবি করলেন, তৃণমূল জমানার ১০ বছরে কোনও পরিবর্তনই হয়নি।

suvendu adhikari | newsfront.co
শুভেন্দু অধিকারী ৷ ফাইলচিত্র

কেবলই ব্যক্তিস্বার্থ প্রাধান্য পেয়েছে। যদিও শুভেন্দুর এই চিঠির পরই পাল্টা তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের কটাক্ষ, ‘এতদিন ক্ষমতায় থেকে নিজের পরিবার রাজনৈতিকভাবে নানা পদ নিয়েছে। শুভেন্দু নিজে কী কাজ করেছেন? তাঁর চিঠি তৃণমূল কর্মীরা ডাস্টবিনে ফেলে দেবে।’

আরও পড়ুনঃ ভারতমাতাই আমার মা, অন্য কেউ নাঃ শুভেন্দু অধিকারী

ওই চিঠিতে শুভেন্দু লিখেছেন, ‘গত ১০ বছরে কোনও পরিবর্তন হয়নি। নীচুতলার কর্মীরাই আসলে একটু একটু করে দল তৈরি করেছেন। কিন্তু যাঁরা তিলেতিলে দল তৈরি করেছেন, তাঁরা কোনও গুরুত্ব পাননি। ব্যক্তিগত স্বার্থ দলে প্রাধান্য পেয়েছে। আজ এমন একটা সময় এসেছে, যখন রাজ্যের মানুষকে ঠিক করতে হবে, তাঁরা কী করবেন!’

আরও পড়ুনঃ দশ বছর ধরে মমতাকে প্রণাম করেছেন শুভেন্দু অধিকারী-আক্রমণাত্মক কল্যাণ

এদিন শুভেন্দু নিজের সঙ্গে আরও একঝাঁক তৃণমূল বিধায়ক, সাংসদ, বাম বিধায়ক, এমনকী সংখ্যালঘু নেতা কে সঙ্গে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।চিঠিতে শুভেন্দু আরও লিখেছেন, ‘তৃণমূলে পচন ধরেছে৷ এমন কি, ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের নাম না করেও তাঁর নিযুক্তি নিয়ে চিঠিতে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু৷ অভিযোগ করেছেন, এই ধরণের বহিরাগত পেশাদারদের বাস্তব পরিস্থিতি এবং তৃণমূল কর্মীদের স্বার্থত্যাগ নিয়ে কোনও ধারণাই নেই৷

শুভেন্দু চিঠিতে দাবি করেছেন, তাঁর কাছে আর অন্য কোনও পথ খোলা ছিল না৷ বলা ভাল, এই চিঠির মাধ্যমেই তৃণমূল কর্মীদের বিজেপি-তে যোগদানের বার্তা দিয়েছেন৷ শুধু তাই নয়, আগামী নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন যথাযথ ভূমিকা পালন করবে এবং সত্যের জয় হবে বলেও চিঠির শেষ পাতায় লিখেছেন শুভেন্দু৷

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here