৭০ শতাংশ টিকাকরণ সম্পূর্ণ, সিডনিতে শীঘ্রই উঠবে লকডাউন

0
18

মোহনা বিশ্বাস, ওয়েব ডেস্কঃ

অস্ট্রেলিয়ার বড় শহর সিডনিতে ধীরে ধীরে কমছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বাড়ছে টিকাকরণের হার। আর সেই কারণে সিডনিতে ১০৬ দিনের লকডাউন উঠতে চলেছে বলে জানায় সেদেশের প্রশাসন। যে লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে শহরে বসবাসকারী নাগরিকদের টিকাকরণ শুরু করেছিল সিডনি প্রশাসন।

Sydney

সেই লক্ষ্যমাত্রার অনেক কাছে পৌঁছে গেছে তারা। সিডনিতে ইতিমধ্যেই ৭০ শতাংশ করোনার টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। এর মধ্য ১৬ শতাংশ নাগরিকের দুটো ডোজই সম্পূর্ণ হয়েছে। সেখানকার পরিস্থিতি ক্রমশ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। সেই কারণে বৃহস্পতিবার লকডাউন তুলে নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন।

সিডনি শহরকে আনলক করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সুরঙ্গের শেষে যেমন দিনের আলো দেখা যায়। সিডনির পরিস্থিতিটাও খানিকটা সেরকমই। সুরঙ্গের শেষে দেখতে পাওয়া দিনের আলো এবার প্রায় চলেই এসেছে।”

আরও পড়ুনঃ ভারতে আসতে পারবেন বিদেশী পর্যটকরা, ১৮ মাস পর টুরিস্ট ভিসা দেওয়া শুরু করল কেন্দ্র

যাঁরা ইতিমধ্যেই টিকা নিয়েছেন, তাঁদের স্বাগত জানানোর জন্য সোমবার থেকে খুলে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার রেস্তোরাঁ, বার, দোকান বাজার। শহরে ৫ কিলোমিটার অবধি ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। কিন্তু রাজ্য আন্তর্জাতিক সীমান্ত এখনও খোলার চিন্তাভাবনা করেনি প্রশাসন।

আরও পড়ুনঃ টিকার দুটি ডোজ নেওয়া থাকলে, মাস্ক পরলে অঞ্জলি থেকে সিঁদুরখেলাতে সায় হাইকোর্টের

অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় ২ কোটি ৬০ লক্ষ জনগণের বাস। সেদেশে করোনা ভাইরাসের দাপটে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১ হাজার ৩৭৯ জন নাগরিক। বিগত ১৮ মাসে, যে শহর গুলিতে টিকাকরণের হার কম ছিল, সেখানে প্রশাসনের তরফে লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। কিন্তু এখন অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় শহর সিডনিতে প্রায় ৭০ শতাংশ টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। তাই লকডাউন উঠতে চলেছে সিডনিতে। বর্তমানে সিডনি প্রশাসন মনে করছে, এই লকডাউন তুলে নেওয়া হলে সংক্রমণের হার খুব একটা বৃদ্ধি পাবেনা। আর যদি সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পায় তাহলে পুনরায় কঠোর বিধিনিষেধ জারি করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে সিডনি প্রশাসন।

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here