নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম মেদিনীপুরঃ

উপর্যুপরি হাতির আক্রমনে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষ।আর সেই হাতির আক্রন থেকে রক্ষার পথ নির্দেশ না দিয়ে মুক্তির উপায় না দেখিয়ে হাতিকে বুদ্ধিমানের সার্টিফিকেট দিলেন বনমন্ত্রী।বৃহস্পতিবার থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় শুরু হলো বন বান্ধব উৎসব।

প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে ও পদযাত্রায় অংশ নিয়ে এই উৎসবের সূচনা করেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বনমন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মন। দপ্তরের আধিকারিক ইন্দিবর পান্ডে সহ বনবিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ছিলেন উৎসব মঞ্চে।হাতি উপদ্রুত এলাকা নামে পরিচিত এনায়েতপুরকেই বেছে নেওয়া হয়েছে এই উৎসবের জন্য।
আরও পড়ুনঃ হাতির হানা অব্যাহত,নিয়ম মাফিক ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতি

সাধারণ গ্রামবাসীদের উদ্দেশ্যে দপ্তরের আধিকারিক থেকে মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধিদের পরিবেশ বাঁচাতে হাতির মত বন্যপ্রানী ও মানুষের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করতে হবে এই বার্তাই তুলে ধরতে দেখা যায় এ দিনের সভামঞ্চে। পাশাপাশি এদিনের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে গ্রামবাসীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সার্চলাইটের মতো একাধিক সামগ্রী।কিন্তু হাতি সমস্যার সমাধানে কোন নিদান দিতে পারল না বনমন্ত্রী।
হাতিকে বুদ্ধিমত্তার সার্টিফিকেট প্রদান বনমন্ত্রীরঃ
চলতি মরসুমে হাতির হানায় বেশ কয়েকটি অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বিশাল পরিমাণে।প্রাণ গিয়েছে বেশ কয়েকজন সাধারণ গ্রামবাসীদেরও। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক সভা থেকে কড়া ধমক দিয়েছিলেন বনদপ্তরকে।কিন্তু তারপরেও চিত্রটা যে বদলায়নি তা পরিষ্কার বিগত কয়েক দিনের হাতির হানার ঘটনা থেকেই।

বৃহস্পতিবার মেদিনীপুর শহরের উপকণ্ঠে বন বান্ধব উৎসবে যোগ দিতে এসে রাজ্যের বনমন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মন জানান,হাতি বেশ বুদ্ধিমান তাই তার মোকাবিলায় বনদপ্তরকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।তৈরি করা যাচ্ছে না সঠিক রুট ম্যাপও।পাল্টা বনমন্ত্রীর অভিযোগ, হাতি তাড়ানোর জন্য ব্যবস্থা করার কথা ভাবলে বিভিন্ন রকম ভাবে কেস করা হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টে,আর যার ফলে হাতি তারা নয় কোন কড়া পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।তবে হাতির হানায় মৃত্যু যে দুঃখজনক তা অবশ্য স্বীকার করে নিয়েছেন বনমন্ত্রী। তাহলে হাতির হানা রোখা কি অসম্ভব সেটাই প্রশ্ন সাধারণ গ্রামবাসীদের মধ্যে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584