নিজস্ব সংবাদদাতা,মুর্শিদাবাদঃ

ফের উত্তপ্ত ডোমকল।আজ ভোররাত থেকেই চলছে বোমা গুলির লড়াই।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে লড়াই।

ঘটনার প্রকাশ এই যে,ডোমকল থানার অন্তর্গত কুচিয়ামোড় এলাকায় গত ১৯ মার্চ ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতির মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ আলতাব হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুষ্কৃতীরা।আজ ভোর রাত থেকে সেই মৃত আলতাবের বাড়ির চারপাশে ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি বোমা গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা।পাল্টা গুলি চালায় অপরপক্ষও।
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।মৃতদের মধ্যে দুই জন আফতাবের ভাই এবং পুত্র।


এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।ঘটনাস্থলের পাশেই পাটের জমির থাকায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে ধারণা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছালে মৃতদেহ উদ্ধারে বাধা দেওয়া হয়, পুলিশের সাথেও চলে গুলি বিনিময়ও।
আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি,আটক ২
ডোমকল মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সন্দীপ সেন,জলঙ্গী থানার ওসি বিপ্লব কর্মকার সহ পাশ্ববর্তী থানার ওসিদের নেতৃত্বে বিশাল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন।তবে শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত এখনও চলছে গুলির লড়াই।
এই ঘটনায় মৃত তিনজন সহেল রানা(১৯),খায়রুদ্দীন সেখ(৫৫) এবং রহিদুল হালসনা(২৮)।মৃতদের মধ্যে খায়রুদ্দীন সেখ আলতাবের ভাই এবং পুত্র সহেল রানা।
আহত একজনকে উদ্ধার করে পুলিশ ডোমকল মহকুমা হাসপাতালে পাঠায় সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গে তাকে মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
মৃত রহিদুল হালসনার স্ত্রী তানজিলা জানায় যে,তার স্বামী সিপিএম কর্মী ছিল বর্তমানে সে তৃণমূল করত, অপরদিকে মুসরাকুল কংগ্রেস কর্মী ছিল পরে সে তৃণমূলে যোগ দেয় এবং সেখান থেকে ফের কংগ্রেসে।মুসরাকুলের বাহিনীই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি জানান।
অপর দিকে মৃত আলতাবের বড় ছেলে আসিক ইকবাল জানায় যে,আজ সে বাড়িতে থাকায় দুষ্কৃতীরা তাকেই টার্গেট করে কিন্তু তাকে না পেয়ে তার ভাই এবং কাকাকে হত্যা করে।আক্রমণকারীরা কংগ্রেস বিজেপির বলে তিনি জানান।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584