হাতে ভাজা মুড়ি বাঁচিয়ে রাখতে সরকারি উদ্যোগ প্রত্যাশী কারিগরদের

0
87

সুদীপ পাল,বর্ধমানঃ

to keep the fried turnover in hand
নিজস্ব চিত্র

বাঙালি মুড়ি প্রিয়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাদ্য তালিকায় মুড়ির গুরুত্ব সর্বজন জানে।সেই মুড়ি কারিগররাই আজ সরকারি সাহায্যের প্রত্যাশী।

পূর্বে মুড়ি ভাজতেন বাড়ির মা ঠাকুমারা।কিন্তু যুগের বদলে এখন কষ্ট করে কেউই আর হাতে মুড়ি ভাজতে চায় না।তাই কারখানা থেকে কিনে নিয়ে আসা হয় মুড়ি। সবাই প্যাকেটজাত মুড়ি খেতেই অভ্যস্ত।কিন্তু কারখানার মুড়ি নয় একেবারে নিজেরাই হাতে মুড়ি ভেজে সংসার চালাচ্ছেন বর্ধমানের বাজেপ্রতাপপুর এলাকার ২৮ টি পরিবার।বর্ধমান শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত এই বাজেপ্রতাপপুর। এলাকায় মুড়ি মহল্লা নামে পরিচিত।আগে দশটি পরিবার এইভাবে হাতে ভাজা মুড়ি বিক্রি করেই সংসার চালাতেন।পরে তারাই ভেঙে গিয়ে এখন ২৮টি পরিবার হয়েছেন। পরিবারের সব সদস্য যে হাতে মুড়ি ভাজেন তা নয় অনেকেই মেশিনে মুড়ি ভাজা ব্যবসাতেও নেমে গেছেন।লাভ কত হয় এ প্রশ্ন করতে জানা গেল মুড়ি ভেজে তারা প্রতি মণে ২৪০ টাকা পান। খুচরা বিক্রি করেও ঘরে কিছু টাকা আসে। স্থানীয়দের লম্বা লাইন পড়ে এখানে হাতে মুড়ি ভাজার জন্য।তাঁরা বলছেন,যন্ত্রের মুড়িতে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়। যেগুলি আমাদের শরীরের ক্ষতি করে। কিন্তু হাতে ভাজা মুড়িতে সেই বিষয়টি নেই।আর তাছাড়া হাতে ভাজা মুড়ি স্বাদেও যন্ত্রের মুড়ি থেকে অনেক ভালো।তবে এত কিছুর মধ্যেও তাঁদের আক্ষেপের সুর।যদি হাতে ভাজা মুড়িকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারি উদ্যোগী হয় তাহলে তাদের জন্য কিছু প্রকল্পের প্রয়োজন।পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন,ওনারা যদি একজোট হয়ে গিয়ে বলেন।তবে আমরা সরকারের কাছে ওদের দাবি তুলে ধরব।

আরও পড়ুনঃ জলের অপচয়,উদাসীন নাগরিক

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here