সিমা পুরকাইত, দক্ষিণ ২৪ পরগণাঃ

স্বাধীনতার আগে স্থাপিত হয়েছিল সুন্দরবন লাগোয়া ফলতা অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্যার আচার্য জগদীশচন্দ্র বোস একটা সময় এই স্কুলে ক্লাস নিতেন। সময়টা ছিল ত্রিশ দশকের কাছাকাছি।

যে সময় স্কুলটির হাল ছিল বেহাল।স্কুলের নোনা ধরা দেওয়াল,খসে পড়া পলেস্তারের দেওয়াল বিঘ্ন ঘটিয়েছিল ক্ষুদে পড়ুয়াদের পঠন পাঠন।

আরও পড়ুনঃ পানীয় জলের কষ্টে সেকেন্দ্রাবাসীরা
সেই স্মৃতিটুকু আজ অনেক পরিবর্তন হয়েছে। স্বাধীনতার পর পরিকাঠামো অনেক উন্নতি লাভ করেছে ফলতা অবৈতনিক বিদ্যালয়।

ছাত্র সংখ্যা যেমন বেড়েছে। শিক্ষার মান বেড়েছে দিকে দিকে। একাধিক পুরস্কার প্রাপ্তি হয়েছে এই স্কুলে। একবিংশ শতাব্দীতে নজির গড়েছে ফলতা ব্লকের ফলতা অবৈতনিক বিদ্যালয়টি।

ফলতা ব্লকে রয়েছে ১৪৮ টা অবৈতনিক বিদ্যালয়,৩৮টি এস এস কে, হাইস্কুল রয়েছে ৩৭ টি,রয়েছে একটি হাই মাদ্রাসা ও একটি মহিলা হোস্টেল।

১৯৯৬ সালে শুরু হওয়া স্কুল ১৯৪২ সালে অনুমোদন পায় ব্রিটিশ রাজশাসনে। অবৈতনিক বিদ্যালয় এর মধ্যে মডেল স্কুল হিসাবে জেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে বিদ্যালয়। গর্বে ভরিয়েছে ফলতাবাসিকে।

২০১২ সালে জেলা নির্মল বিদ্যালয় পুরস্কার। ২০১৩ সালে রাজ্য সরকারের তরফে শিশু মিত্র পুরস্কার, ২০১৫ সালে জেলার সেরা বিদ্যালয় পুরস্কার,২০১৭ সালে জামিনি রায় পুরস্কার, মডেল স্কুল।

স্কুলে রুটিন মাপিক খাওয়া হলেও বসে খাওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। তাই বেছে নিতে হয় শ্রেনীকক্ষের বারান্দায়।৩৭৫ জন পড়ুয়াদের জন্য রয়েছে সাতজন শিক্ষক শিক্ষিকা। পড়ুয়াদের জন্য রয়েছে চারজন রাধুনী।

এরা প্রত্যকে গ্রুপের মহিলা। নিয়ম মাফিক রান্নার খাবারের তালিকা পরিষেবা থাকলেও স্কুলে বসে খাওয়ার জায়গা নেই।

পাশাপাশি পড়ুয়াদের তুলনায় কম রয়েছে শিক্ষক শিক্ষিকা, দাবি পড়ুয়া থেকে শিক্ষক শিক্ষিকাদের। যদিও বিষয়টি নিয়ে খুব শীঘ্রই সমাধান হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন ফলতা পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাদক্ষ্য আতিকুল্লা মোল্লার।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584