রাজ্যে বেকারত্বের হার কমেছে ৪০ শতাংশঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

0
118

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতাঃ

করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে লকডাউনের কারণে কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। এ কথা সত্য। তবে এর মধ্যেও একটা স্বস্তির খবর আছে। সারা দেশে বেকারত্বের সংখ্যা বাড়লেও পশ্চিমবঙ্গে বেকার সমস্যা সমগ্র দেশের তুলনায় অনেকটাই কম বলে যুব সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Mamata Banerjee | newsfront.co
ফাইল চিত্র

বুধবার মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন যে, যেখানে সারা দেশে বেকারত্বের হার কমেছে মাত্র ২৪ শতাংশ, সেখানে পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার ৪০ শতাংশ কমে গিয়েছে। বেকারত্বের পরিসংখ্যানের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকনমি বা সিএমআইই-র এক রিপোর্টের তথ্যও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।

আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “গোটা দেশে যখন বেকারত্ব কমার হার ২৪ শতাংশ, সেখানে আমাদের বাংলায় সেই হার ৪০ শতাংশ। এর অর্থই হল, পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্ব দ্রুত কমছে। অনেক আগে থেকেই বাংলার যুবক-যুবতীরা গোটা দেশকে পথ দেখিয়েছে। সেই কাজ ভবিষ্যতেও তাঁরা করে যাবে বলেই আমার বিশ্বাস।”

আরও পড়ুনঃ দেশের সৎ করদাতাদের সম্মান জানাতে নতুন প্রকল্প ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

শুধু তাই নয়। এদিন রাজ্যের আরও এক লক্ষ বেকার যুবকদের সরকারের “কর্মসাথী প্রকল্প” এর আওতায় স্বনির্ভর হওয়ার জন্য সহজে ঋণ এবং ভর্তুকি দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি টুইট করেন, “আজ # আন্তর্জাতিক যুব দিবস। # যুব সমাজকে শক্তিশালী করার জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একটি নতুন প্রকল্পের নাম কর্ম সাথী প্রকল্প। বাংলার সরকার এই প্রকল্প চালু করছে। এই প্রকল্পের অধীনে এক লক্ষ বেকার যুবককে স্বাবলম্বী করার জন্য সহজে ঋণ এবং ভর্তুকি সরবরাহ করা হবে।”

আরও পড়ুনঃ আবারও ধর্মঘটের ডাক দিল ট্যাক্সি সংগঠন

তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের যুব সম্প্রদায়ের জন্য গর্বিত। তাঁরাই বাংলার ভবিষ্যত। নতুন প্রজন্মই আমাদের জাতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। এই যুব সম্প্রদায় মেধাবী, দক্ষ এবং পরিশ্রমী। তাঁদের আজকের স্বপ্নগুলো আগামিকাল বাস্তবে পরিণত হবে।”

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here