শুভশ্রী মৈত্র, ওয়েব ডেস্কঃ
গত ২৭ ফেব্রুয়ারি উত্তর দমদম পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিমতা পাটনা স্কুল রোডে এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে তাঁর অশীতিপর বৃদ্ধা মা’কে মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। গোপাল মজুমদার নামে বিজেপিকর্মী অভিযোগ করেন তিনজন তৃণমূলকর্মী বাড়িতে ঢুকে তাঁকে বন্দুকের বাঁট দিয়ে মারধর করে। তাঁর মা বাধা দিতে এলে তাঁকে মারধর করা হয়। সে ঘটনা নিয়ে রীতিমতো রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ‘বাংলার মেয়েরা’ সুরক্ষিত নন বলে অভিযোগ তুলে আসরে নামে বিজেপি। বৃদ্ধার মুখের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। কলকাতায় ব্রিগেড সমাবেশে নাম না করে নিমতার বৃদ্ধার উপর আক্রমণ নিয়ে মমতা সরকারকে আক্রমণ করেন নরেন্দ্র মোদীও।
বৃদ্ধার পরিবার সূত্রে জানা যায়, মার্চের প্রথম দিকে তাঁকে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতিও হয়। কয়েকদিন আগেই তিনি বাড়িতে ফেরেন। তারপর সোমবার ভোররাতে তাঁর মৃত্যু হয়ে। বৃদ্ধার মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর বাড়িতে যান বিজেপি প্রার্থী অর্চনা মজুমদার।
আরও পড়ুনঃ মহারাষ্ট্রে পুলিশের সাথে এনকাউন্টারে নিহত পাঁচ নকশালপন্থী
বৃদ্ধাকে মারধরের ঘটনায় তৃণমূল যোগের অভিযোগ অস্বীকার করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়রা। নিজেকে বৃদ্ধার নাতি হিসেবে দাবি করা গোবিন্দ মজুমদার নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘দিদার উপরে হামলা করা হয়নি। তিনি তিন বছর ধরে তিনি শয্যাশায়ী।’
সেই দাবি-পালটা দাবির মধ্যেই পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে ব্যারাকপুর সিটি পুলিশ। অভিযুক্তরা সকলেই আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। বিজেপির অবশ্য অভিযোগ, প্রকৃত অভিযুক্তদের আড়াল করা হয়েছে রাজনৈতিক স্বার্থে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584