শুভম বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতাঃ
একদিকে যেমন ছিল মণীশের সঙ্গে মহম্মদ খুররমের ১০ বছরের পুরনো শত্রুতা, তেমনই অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা! এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই খুন হতে হয়েছে মণীশকে। এর জন্য পটনার সেন্ট্রাল জেলে বন্দি দুষ্কৃতীদের সাহায্যে যেমন আগ্নেয়াস্ত্র আনা হয়েছিল, ঠিক তেমন দুবাই থেকে পাঠানো হয়েছিল টাকাও। ঘটনার তদন্তে নেমে এমনই সব চাঞ্চল্যকর তথ্য পাচ্ছেন সিআইডির তদন্তকারীরা।

প্রসঙ্গত, বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। তার মধ্যে অন্যতম মূল অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মহম্মদ খুররম খান এবং তৃণমূল নেতা ঘনিষ্ঠ সুবোধ যাদবকে জেরা করে বেশিরভাগ তথ্যই হাতে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। খুররমের বাবার খুনের ঘটনায় মণীশের নাম উঠে আসা থেকেই সে-ই মূলত মণীশকে খুনের পরিকল্পনা করে। কিন্তু কাজটা খুব একটা সহজ ছিল না। সেই কারণে রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের সাহায্য নেয় সে।
আরও পড়ুনঃ বিপুল অঙ্কের সন্দেহজনক লেনদেন! ফিনসেন ফাইলস রিপোর্টে ২৮ ভারতীয় ব্যাঙ্কের নাম
আরও জানা গিয়েছে, মণীশ খুনের ‘ফুলপ্রুফ প্ল্যান’ করতে সাহায্য নেওয়া হয়েছিল পটনার সেন্ট্রাল জেলে থাকা কুখ্যাত এক দুষ্কৃতীর। সেই সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহ এবং সুপারি কিলারদের সঙ্গ যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার কাজও করেছিল সে-ই।
এই কাজের জন্য টাকা দেওয়ার ভার ছিল খুররমের উপর। সেই টাকা আবার দুবাই থেকে এসেছিল। তাতেও সাহায্য করেছিলেন কোন রাজনৈতিক নেতা। যদিও তার নাম এখনো জানতে পারেনি পুলিশ।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584












