নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে বিমানবন্দর নির্মাণে প্রশাসনের দিকে আঙুল এলাকাবাসীর

0
81

শিবশঙ্কর চ্যাটার্জ্জী, দক্ষিণ দিনাজপুরঃ

কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বালুরঘাট বিমানবন্দরের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সামনে আসতেই তদন্তের দাবি উঠেছে সংসদের তরফে।

balurghat airport | newsfront.co
বালুরঘাট বিমানবন্দর। নিজস্ব চিত্র

সাধারণ মানুষের অভিযোগ বালুরঘাট এয়ারপোর্টের সীমানা নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। আরও অভিযোগ, এয়ারপোর্টের প্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে লাল বালির পরিবর্তে সাদা বালি দিয়ে। এমনকী ঠিকাদারের সঙ্গে পূর্ত দফতরের আধিকারিকদের যোগসাজশের কারনেই নাকি এ বিষয়ে উদাসীন পূর্ত আধিকারিকরা।

বালুরঘাট এয়ারপোর্টের রানওয়ে তৈরির কাজ বর্তমানে সমাপ্ত। বালুরঘাট এয়ারপোর্ট থেকে কবে বিমান উড়বে সেই প্রতিক্ষায় প্রতিক্ষারত জেলাবাসী।

balurghat airport | newsfront.co
সাদা বালি দিয়ে চলছে নির্মাণের কাজ।৷ নিজস্ব চিত্র

জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পূর্ত দফতর টেন্ডার ডেকে এক ঠিকাদার সংস্থাকে এয়ারপোর্টের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের বরাত দেয়। লাগাতার নিম্নমানের সামগ্রীর ব্যবহারে বিমানবন্দরের নির্মাণ কার্য চলতে থাকলেও এই বিষয়ে বালুরঘাটের পূর্ত আধিকারিকরা কেন নীরব, সেই বিষয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন বালুরঘাটের একাধিক মানুষ।

balurghat airport | newsfront.co
নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ চলছে পুরদস্তুর। নিজস্ব চিত্র

এলাকাবাসীদের অনেকেই নির্মাণ কার্য বিষয়ক বোর্ড দেখতে না পাওয়ার কারণে বরাত পাওয়া ঠিকাদারি সংস্থার সঙ্গে পূর্ত আধিকারিকদের অসাধু যোগসাজশেরও আশঙ্কায় আশঙ্কিত। তাদের আশঙ্কা পুরো প্রাচীরটা নির্মাণ করতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়ে থাকলে যেকোনও দিন তা ভেঙে পড়তে পারে।

মাহিনগর এলাকার বাসিন্দা সুষেন চক্রবর্তী বলেন, লাল বালি-সাদা বালির কাজে পার্থক্য আছে। পাশাপাশি বিষয়টিতে সরকারি আধিকারিকরা নজর দিক এই দাবি তুলে তিনি জানান সরকারি টাকা মানে তো আমাদের টাকা।

আরও পড়ুনঃ গোপন তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার নিষিদ্ধ মাদক-সহ আগ্নেয়াস্ত্র

সাধারণ মানুষদের অভিযোগ সামনে আসতেই বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার পূর্ত দফতরের অফিসারদের দিকে আঙুল তুলে বলেন, গোটা জেলা জুড়ে এই লুঠপাট চলছে। সেই সঙ্গে সাংসদ সুকান্ত মজুমদার এও দাবি করেন যে যদি নিয়ম মেনে কাজ না হয় তাহলে সমস্ত অফিসার এবং ঠিকাদারের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের সাসপেন্ড করা উচিত।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার পূর্ত আধিকারিক অসীম কুমার নারিবুসি জানিয়েছেন, বিষয়টি তিনি খোঁজ নিয়ে জানাবেন। অপরদিকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার জেলা শাসক নিখিল নির্মল অভিযোগের কথা জানবার পর বলেন, “আমি অবশ্যই কার্যকরী ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে কথা বলে তদন্ত করছি।”

পাশাপাশি কাজের বিষয়ে পূর্ত দফতরের আধিকারিকদের নজরদারী চালানোর বিষয়টাও খোঁজ নেবেন বলে জানিয়েছেন জেলা শাসক।

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here