নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম মেদিনীপুরঃ
আবারো বড়সড় সাফল্য পেল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। জানা গেছে গত ১৮ ডিসেম্বর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়্গপুর গ্রামীণ থানার অন্তর্গত একটি এলাকায় টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ ছিল স্থানীয় রেশমি মেটালিকস নামক একটি কারখানার ম্যানেজার আমিরুল মল্লিক এক কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে ওড়িশা রোডের দিক থেকে বাইকে করে ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে ফিরছিলেন। দুপুর দুটো নাগাদ তারা যখন ফিরছিলেন তখন সাহাচকের কাছে মোটরসাইকেলে করে কয়েক জন দুষ্কৃতী এসে ওই টাকা ছিনতাই করে নিয়ে বেরিয়ে যায়।

কারখানার পক্ষ থেকে অভিষেক জিন্দাল খড়্গপুর গ্রামীণ থানায় এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে নেমে টাকা নিয়ে আসা ম্যানেজার আমিরুলের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ করে। বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রমাণ খুঁজে অনেকটা তথ্য বেরিয়ে আসে পুলিশের কাছে। পুলিশের জেরায় বাকি পুরো ঘটনা বেরিয়ে আসে। পুলিশ জানতে পারে আমিরুল তার এক বন্ধু শেখ আব্বাসকে নিয়ে পুরো কান্ড করেছে পরিকল্পনামাফিক। বীরভূমের মোহাম্মদ বাজারে বসেই টাকা চুরির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পুলিশ জেরাতে আমিরুলের কাছে প্রকৃত সত্য বের করে শেখ আব্বাসকে বীরভূম থেকে গ্রেফতার করে, গ্রেফতার করা হয় আমিরুলকেও। উদ্ধার হয় ছিনতাই হওয়া নয় লক্ষ পঁচাশি হাজার পাঁচশ টাকা।
আরও পড়ুনঃঘন কুয়াশায় দুর্ঘটনার সম্মুখীন সবজি বোঝাই ট্রাক
গত কয়েকদিন আগে মেদিনীপুর শহরের একইভাবে একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছিল। একটি ক্ষুদ্র ফাইনান্স কোম্পানির এজেন্টের আদায় করা টাকা রাস্তা থেকে দিনের বেলা ছিনতাই করেছিল দুষ্কৃতীরা। যার কিনারা এখনো হয়ে ওঠেনি। শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সুপার দিনেশ কুমার সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন-পুরো ঘটনাটি জানা গিয়েছে, গ্রেফতার করা হয়েছে দুজনকে। আমরা মানুষকে জানাতে চাই -কোন ফাইন্যান্স কোম্পানি বা কেউ তেমন মোটা অংকের টাকা নিয়ে কোথাও বের হতে চাইলে সম্ভব হলে স্থানীয় থানার পুলিশকে বিষয়টা জানিয়ে রাখবেন। তাহলে পুলিশ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে পারে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584