সুদীপ পাল,বর্ধমানঃ
ব্যবহারের সহজ পাঠ এবার চিকিৎসকদের জন্য। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জুনিয়র চিকিৎসক এবং নার্সদের জন্য ‘অ্যাটিচিউড,এথিক্স এন্ড কমিউনিকেশন’ বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

হাসপাতাল আধিকারিকদের কথায়,জুনিয়র চিকিৎসক এবং নার্সদের এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।একই সঙ্গে শিক্ষক চিকিৎসককেও এই প্রশিক্ষণ নিতে বলা হয়েছে।
পরবর্তী কালে নিয়মিত ক্লাস রুটিনে এটি বাধ্যতামূলক করার ভাবনা রয়েছে তাঁদের। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একাধিকবার জুনিয়ার চিকিৎসকদের ব্যবহার নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে।জুনিয়র চিকিৎসকদের হাতে রোগীর বাড়ির লোকজন থেকে সাংবাদিক মার খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে অতীতে। নার্স এবং জুনিয়র চিকিৎসকদের গাফিলতি নিয়েও বহু অভিযোগ জমা পড়েছে কর্তৃপক্ষের কাছে। মুমূর্ষু রোগীর পথ আটকানো থেকে শুরু করে, সদ্যোজাত মৃত্যু হচ্ছে নার্সদের চোখ তখন মোবাইলে বন্দি – এই ধরনের ঘটনা বারে বারে ঘটেছে এখানে। তাই মুমূর্ষু রোগীর পরিবারের সঙ্গে কিভাবে কথা বলতে হবে, কিভাবে রোগীর পরিজনকে মৃত্যু সংবাদ জানাতে হবে, সেসবের পাঠ কেন জুনিয়র ডাক্তারদের দেওয়া হবে না এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে আগেই।
সৌজন্যমূলক ব্যবহার চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রত্যাশা করে রোগীর পরিবার।কিন্তু বহু ক্ষেত্রেই অপ্রীতিকর ঘটনার মধ্য দিয়ে জুনিয়র চিকিৎসক বা নার্সরা পরিবার পরিজনদের সাথে কথা বলেন।এখন এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে যে কিভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয় এবং যদি রোগীর পরিবার বিক্ষোভ দেখায় তাহলে তা কীভাবে সামলাতে হবে।প্রসঙ্গতঃ বলা হচ্ছে ধৈর্য ধরে শুনতে হবে সমস্যার কথা।
আরও পড়ুনঃ বিচারকার্য আইনজীবীদের আন্দোলনে স্তব্ধ
শিক্ষক-চিকিৎসকদের মধ্যে থেকে ‘মাস্টার ট্রেনার’ বাছাই করা হবে।তাঁরাই নিয়মিতভাবে জুনিয়র চিকিৎসক ও পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ দেবেন।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584