নিউজফ্রন্ট, ওয়েবডেস্কঃ
সুপ্রিম কোর্টে অযোধ্যা মামলার রায় দান করছেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গোগোই। এছাড়াও বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি এসএ বোবদে, ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, অশোক ভূষণ এবং এস আব্দুল নাজির।

সূত্রের খবর, শীর্ষ আদালতের এক নম্বর ঘরে রায় চলছে। ১০টা ১৫ মিনিটে সেই ঘর খুলে দেওয়া হয়। তার পর বিচারপতিরা সেই ঘরে প্রবেশ করে রায়ের কপিতে সই করেন। নিম্নলিখিত বিষয়গুলি রায়ে বলা হয়ঃ
• মুসলিমরা সেখানে মসজিদ তৈরি করতে পারবে
• অন্যত্র ৫ একর জমি দেওয়া হবে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে
• কেন্দ্রকে বোর্ড অব ট্রাস্ট গঠনের জন্য তিন মাস সময় দেওয়া হবে
• বিতর্কিত জমি তুলে দেওয়া হবে বোর্ড অব ট্রাস্টের হাতে
• বিতর্কিত জমিতেই মন্দির নির্মাণ হবে ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে
• ওই জমি পাবে ‘রাম জন্মভূমি ন্যাস’
• শর্তসাপেক্ষে মূল বিতর্কিত জমি পাবে হিন্দুরা
• সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড অধিকার জমি সংক্রান্ত দাবি করতে পারে না
• আইনি ভিত্তিতেই জমির মালিকানা স্থির হবে, বিশ্বাসের উপর নয়
এ দিন রঞ্জন গোগোই বলেন, কারও বিশ্বাস যেন অন্যের অধিকার না হরণ করে সেটি মাথায় রাখতে হবে। তবে এএসআই এ কথা বলেনি যে বিতর্কিত জমির নীচে মন্দিরই ছিল।
আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার খননের ফলে যে সব জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছে, তাতে স্পষ্ট, সেগুলি নন ইসলামিক সম্পত্তি। এমনকি এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় ছিল– মসজিদের নীচে কাঠামো ছিল। ফাঁকা জায়গায় তৈরি হয়নি বাবরি মসজিদ, বললেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, কবে মসজিদ তৈরি হয়েছিল, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ, বাবরের সহযোগী মির বাকি মসজিদ তৈরি করেছিলেন।
গত ৬ অগস্ট থেকে কোনও বিরতি ছাড়া টানা শুনানি চলেছে অযোধ্যা মামলার। তার পর ১৬ অক্টোবর রায়দান সংরক্ষিত রেখেছিল শীর্ষ আদালত। অবশেষে শুক্রবার আচমকাই সুপ্রিম কোর্ট জানায়, আজ শনিবার রায়দানের কথা। তার আগে নিজের চেম্বারে ডেকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিব এবং ডিজির সঙ্গে কথা বলেন প্রধান বিচারপতি।
১৭ নভেম্বর দেশের প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নিচ্ছেন রঞ্জন গোগোই। তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, অবসর নেওয়ার আগেই তিনি অযোধ্যার বিতর্কিত জমি মামলার রায় দিয়ে যেতে চান।
সেই অনুযায়ী তাঁর নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে প্রতিদিন শুনানি হয়েছে। গত ১৬ অক্টোবর এই মামলার শুনানির পর রায় সংরক্ষিত রাখেন প্রধান বিচারপতি।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584