নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহঃ
দফায় দফায় তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনের দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে চাঁচল। বুধবার রাত থেকে গন্ডগোলের সূত্রপাত। তার রেশ চলেছে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের মোট ৯ জন জখম হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, চাঁচলের ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী ও জেলা পরিষদ সদস্য সামিউল ইসলাম গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষের সূত্রপাত অনার্স পাইয়ে দেওয়া এবং পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর এক তৃণমূল নেতার টাকা নেওয়াকে কেন্দ্র করে।

বিপক্ষ গোষ্ঠীর এমন অভিযোগকে ঘিরে প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়ায় বাকযুদ্ধ, হুমকি, পাল্টা-হুমকি শুরু হয়। এরপরেই সোশ্যাল মিডিয়ার সেই কোন্দল লোকমুখে চাউর হতেই বাস্তবে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে নেতাজি মোড়ে আহত হয়েছেন দু’পক্ষের নয় জন।
আরও পড়ুনঃ গড়বেতায় তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিল
মাথা ফেটেছে দুই নেতার। সংঘর্ষের সময় দুই গোষ্ঠীর নেতাকর্মীরা দফায় দফায় একে অন্যের উপরে লাঠি, ইঁট নিয়ে হামলা করে বলে অভিযোগ। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ইঁটের আঘাতে মাথা ফেটেছে চাঁচল ২ নং ব্লক তৃণমূল সভাপতির ছেলে আবু সুফিয়ান ও প্রশান্ত দাস নামে আর এক যুব নেতার।
বিপক্ষ গোষ্ঠীর অভিযোগ, ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলায় পরিকল্পনা করে তাঁরা হামলা চালিয়েছে। যদিও জেলা পরিষদ নেতার ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী। চাঁচলের এসডিপিও সজলকান্তি বিশ্বাস বলেছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ পেলে ক্ষতিয় দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584